সর্বশেষ আপডেট : ১৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২০ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জুরাইনের ‘সুপেয় পানির শরবত’ খেতে নারাজ ওয়াসার প্রকৌশলী

নিউজ ডেস্ক:: আজ শরবত খাবেন না, জুরাইন এলাকার পাইপ লাইন দ্রুত ঠিক করে শরবত খাবেন বলে জানিয়েছেন ওয়াসার প্রকৌশলী ও কে এম সহিদ উদ্দিন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খানকে ওয়াসার ‘সুপেয় পানি‘ দিয়ে শরবত খাওয়াতে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে ওয়াসা ভবনের সামনে হাজির হন জুরাইন এলাকার বাসিন্দারা। এ সময় তাদের সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি, চিনির প্যাকেট ও লেবু ছিল।

শরবত খাওয়ানোর এই উদ্যোগের নেতৃত্বে দেন রাজধানীর জুরাইন এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান। দুপুরের দিকে তাদের সঙ্গে কথা বলেন ওয়াসার প্রকৌশলী ও কে এম সহিদ উদ্দিন।

এ সময় সহিদ উদ্দিন বলেন, পাইপ লাইনের ত্রুটির কারণে ওয়াসার পানি দূষিত হয়ে থাকতে পারে, তবে ওয়াসার পানি সুপেয়।

২০১৩ সালে একবার এমন সমস্যা হয়েছিল। তখন এমডি সেটার সমাধান করে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু এখন এমডি যে বলছেন, প্রত্যেকটা বাড়িতে সুপেয় পানি পাওয়া যায় তা সঠিক নয়। এর উত্তরে ওয়াসার প্রকৌশলী বলেন, ‘আপনাদের যার যার প্রশ্নের উত্তর আপনাদের নিজেদের কাছেই আছে।’

শুধু কমপ্লেইন করলেই সুপেয় পানি নাকি পুরো ঢাকায়- এর জবাবে সহিদ উদ্দিন বলেন, ‘পুরো ঢাকা না, যারা যারা কমপ্লেইন নিয়ে আসবেন সেখানে গিয়ে আমরা সমস্যার সমাধান করবো। তাহলে আশেপাশের সব মানুষ ভালো পানি পাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঢাকা শহরে ১০টি জোন আছে। প্রত্যেকটা জোনে লক্ষ্য বলা আছে। কোথাও কোন সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে জোনে গিয়ে কমপ্লেইন দিলে আমরা সেটা ঠিক করে দিয়ে আসবো।’

এ সময় পানির কোনো সমস্যা হলে ১৬১৬২ নম্বরে কল দিলে তিনদিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হয় বলেও জানান সহিদ উদ্দিন।

এর আগে গত বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত মাইডাস সেন্টারে ‘ঢাকা ওয়াসা : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক একটি গবেষণার প্রতিবেদন প্রকাশ করে দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ঢাকা ওয়াসার পানির নিম্নমানের কারণে ৯৩ শতাংশ গ্রাহক বিভিন্ন পদ্ধতিতে পানি পানের উপযোগী করে। এর মধ্যে ৯১ শতাংশ গ্রাহকই পানি ফুটিয়ে পান করে। গৃহস্থালি পর্যায়ে পানি ফুটিয়ে পানের উপযোগী করতে প্রতিবছর আনুমানিক ৩৩২ কোটি টাকার গ্যাসের অপচয় হয়।’

তবে টিআইবি থেকে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান। গত শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, ‘ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়।

টিআইবি যে পদ্ধতিতে এ গবেষণা করেছে সেটি একপেশে ও উদ্দেশ্যমূলক। এটি পেশাদারি গবেষণা হয়নি। ৩৩২ কোটি টাকার অপচয়ের বিষয়ে টিআইবির গবেষণা অনুমান নির্ভর ও বাস্তবতা বিবর্জিত। ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানি উৎস থেকে গ্রাহকের জলাধার পর্যন্ত পানি সম্পূর্ণ শতভাগ বিশুদ্ধ ও নিরাপদ।’




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: