সর্বশেষ আপডেট : ৫৮ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৯ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিয়ের মাত্র ৪৫ মিনিট পরেই সন্তান প্রসব করলেন এক নারী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: প্রেম, ভালোবাসা আর বিয়ে সবকিছু ওপরওয়ালার ইচ্ছেতে হয়। তিনি যদি চান সঠিক সময়ে একজন পাত্র-পাত্রী বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন আর যদি না চান তাহলে বিয়ে সেখানেই শেষ। সব কিছু তার আদেশের (ইচ্ছার) উপর নির্ভরশীল।

এরপর কোন যুগলের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার আরো সাত থেকে দশ মাস সময় লাগে তাদের সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার। মিনিমাম সাড়ে ছয় মাস না পেরোলে বাচ্চা হয় না বললে চলে।

তবে আল্লাহ চাইলে কী না করা যায় বলুন। তিনি চাইলে বিয়ের এক ঘণ্টার মধ্যে বাচ্চা হওয়া সম্ভব। এবার এমনই ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে।

পাঠক অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়, অবাক হওয়ার কিছু নেই। ঘটনাটি বাস্তব। এই ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা রাজ্যের সাউথ বেন্ডে। বিয়ের মাত্র ৪৫ মিনিট পরেই সন্তান প্রসব করেছেন এক নারী। জানা যায়, তিনি গর্ভবতী থাকা অবস্থায় হাসপাতালে এপয়েন্টমেন্টও করেছিলেন।

আর অন্যদিকে চিকিৎসকরা বলে দিয়েছিলেন তাকে সিজারিয়ান অপারেশন করাতে হবে। ঠিক এমন অবস্থায় তার কিছু সহপাঠীরা ছুটে গিয়েছিলেন একজন মেয়রের অফিসে। তাকে বললেন, এই যুগলকে বিয়ে পরিয়ে দিতে।

তখনই বিয়ের আংটি প্রস্তুত হয়নি। মেয়রের আর কী করা! অগত্যা একটি ফিতা বেঁধে দিলেন হাতে। পড়িয়ে দেয়া হলো বিয়ে। ঠিক বিয়ে পরানোর ৪৫ মিনিটের মাথায়, ওই নারী প্রসব করলেন একটি মেয়ে সন্তান।

পুরো পৃথিবীতে এই ঘটনাটি বিরল। এমন ঘটনা ঘটিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে তাদের সমালোচনা করছেন আবার অনেকে প্রশংসাও করেছেন। তবে যে যাই বলুক, নতুন একটি রেকর্ড গড়লেন এই যুগল।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা রাজ্যের সাউথ বেন্ডের মেয়র পিটি বুতিগিয়েগ। তিনি এইবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দল থেকে মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে প্রকাশ্যে তিনি নিজেই সমকামিতা পছন্দ করেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে মনোনয়নে যদি তিনি টিকে যান তাহলে এটিই হবে বড় রাজনৈতিক দলটির জন্য প্রথম প্রকাশ্যে সমকামিতাকে পছন্দকারী একজন প্রার্থী। তবে তার জনপ্রিয়তা নাকি সেখানে অনেক। হতেও পারেন তিনি। তাই দুর্লভ সব কাজের সাক্ষী হচ্ছেন এই মেয়র।

তিনিই (পিটি বুতিগিয়েগ) তার ফেসবুকে ওই দম্পতির প্রসঙ্গে লিখেছেন। তিনি বলেছেন, ওই দম্পতি হলেন মেরি এবং গাবে। ঘটনার দিন সকাল প্রায় ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে তাদের সহপাঠীরা পড়িমড়ি করে আমার অফিসে ছুটে আসেন এবং বিয়ে পড়িয়ে দিতে বলেন।

ব্যাস, অফিসের স্টাফরা সাক্ষী থাকলেন। তাদের উপস্থিতিতে এই দম্পতির হাতে পরিয়ে দেয়া হলো ফিতা! হয়ে গেল বিয়ে! এর ৩০ মিনিট পরে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নির্ধারণ করা ছিল মেরির জন্য। তিনি অপারেশন থিয়েটারে ডাক্তারদের ছুরির নিচে নিজেকে সঁপে দিলেন। জন্ম দিলেন একটি মেয়ে সন্তান।

সে সন্তানের নাম রাখা হলো জেড ক্যাথেরিন জোনস। মেয়র পিটি তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, তার সবচেয়ে নবীন অধিবাসী এসেছেন সাউথ বেন্ডেতে। যখন আমার মেয়র হিসেবে মেয়াদ শেষ হবে তখনই এই মুহূর্তটাকে আমি স্মরণে রাখবো। নবাগত ও তার পিতামাতাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মেয়র নিজেই।

এদিকে, মেয়রের পোস্ট করা ছবিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। অনেকেই এই দম্পতির সঙ্গে তাকেও (মেয়র) গালি দিচ্ছেন। সমালোচনার বেগ এতটাই বেশী যে, অনলাইন অনুসারীর এও বলছেন, হয়ত এই মেয়রের জন্মও এইভাবে হয়েছে। তাই তিনি এই বিয়ের সাক্ষী হয়েছেন। আবার অনেকেই বলছেন, এই মেয়রের পক্ষে সব কুকীর্তি সম্ভব।

তবে অনুসারীদের একাংশ মেয়রের প্রশংসাও করছেন। তাদের মতে, অন্তত এই মেয়রের কারণে সন্তানটি বৈধ হয়েছে। কারণ তাদের প্রেম পুরোটা অবৈধ ছিল। তবে সন্তান জন্ম দেয়ার আগ মুহূর্তে তারা বৈধ হয়েছেন। আর সবকিছু সম্ভব হয়েছে মেয়রের কারণে। মূলত তিনি ভালো মানুষ বলে এই সময় এসেও, ওই দম্পতির সন্তানটিকে বৈধ করার সুযোগ করে দিয়েছেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: