সর্বশেষ আপডেট : ৪৯ মিনিট ১১ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় রাস্তার ইটসলিং কাজ বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ, ২ শতাধিক বাসিন্দা দুর্ভোগের শিকার

বড়লেখা প্রতিনিধি:: বড়লেখায় একটি রাস্তার সরকারী বরাদ্দের ইটসলিং কাজ দুই মাস ধরে ঝুলে রয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাস্তাটির ২৪০ ফুট স্থান ইটসলিংয়ের জন্য জেলা পরিষদ ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ করতে গেলে রাস্তাটির ভুমি ব্যক্তিগত দাবী করে জনৈক নুর হোসেন কাজে বাঁধা দেন। এতে ওই রাস্তায় চলাচলকারী ৩০ পরিবারের ২ শতাধিক সদস্য মারাত্মক দুর্ভোগ পোয়ানোর আশংকায় পড়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার দাসেরবাজার ইউপির লঘাটি গ্রামের ৩০ পরিবার দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের বাড়ির সামনের কাঁচা রাস্তায় যাতায়াত করছেন। রাস্তাটি চলাচল অনুপযোগী হওয়ায় ইটসলিংয়ের জন্য মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ ১ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করে। গত বছরের ডিসেম্বরে এ রাস্তাার ২৪০ ফুট ইটসলিং কাজের ওয়ার্কঅর্ডার পান কামরুল এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গত ১৫ জানুয়ারী ঠিকাদার কামরুল ইসলাম কাজ করতে গেলে রাস্তাার পাশের বাড়ির মৃত মইন উদ্দিনের ছেলে নুর হোসেন রাস্তার ভুমি নিজস্ব দাবী করে সলিং কাজে বাঁধা দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করায় ঠিকাদার রাস্তার ইটসলিং কাজ সমাপ্ত করেননি।

সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী পারভেজ আহমদ, সাব্বির আহমদ, মজির উদ্দিন, সায়েদ আহমদ, মনা মিয়া, বেলাল আহমদ, আব্দুল ওয়াহিদ প্রমূখ জানান, লঘাটি মৌজার এসএ ও আরএস নকসয় ১১১৫ ও ১১১৬ নং দাগে রাস্তাা রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে আমরা ৩০ পরিবারের ২ শতাধিক মানুষ বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় এ রাস্তা দিয়েই তারা চলাচল করছেন। রাস্তাটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে উঠলে এর কিছু অংশ ইটসলিংয়ের জন্য জেলা পরিষদ বরাদ্দ দেয়। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ করতে গেলে রাস্তাসংলগ্ন ভুমির মালিক নুর হোসেন গংরা কাজে বাধা দেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রাস্তার কাজের ওপর ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করেন। এতে দুই মাস ধরে ইটসলিং কাজ আটকে রয়েছে।

নুর হোসেন জানান, রাস্তাটি তার ব্যক্তিগত রেকর্ডীয় রাস্তা। তিনি ও আজির উদ্দিন যৌথভাবে কয়েক পরিবারের লোকজনের সাময়িক চলাচলের জন্য রাস্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু আজির উদ্দিন গংরা ওই স্থানটি পাকা দেয়ালে ঢুকিয়ে দেন। ওই ভুমি উদ্ধারের উদ্যোগ না নিয়ে অন্যায়ভাবে শুধু আমার ভুমি গ্রাস করার পায়তারা চালালে আমি কাজে বাঁধা দেই এবং আইনের দ্বারস্থ হই।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: