সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আট লাখ টাকা ছিনতাইকালে পুলিশকে দৌড়ে ধরল জনতা!

নিউজ ডেস্ক:: এক মোটরসাইকেল আরোহীকে পথরোধ করে আট লাখ টাকা ছিনতাই করে পালানোর সময় এক পুলিশ কনস্টেবলকে ধাওয়া দিয়ে আটক করেছে জনতা। বুধবার বিকেলে ক্ষেতলাল উপজেলার জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের বটতলী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে ঘটে এ ঘটনা। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল কনস্টেবল মহিদুল ইসলামকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালাই উপজেলার পুনট পূর্বপাড়ার আব্দুল ছালেক প্রামাণিক টাকা নিতে জয়পুরহাট ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে যান। তিনি ব্যাংক থেকে ৮ লাখ তুলে বিকেল ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন।

পথে সদর থানার শেষ প্রান্ত মেসার্স ডালিম ফিলিং স্টেশনের সামনে এলে সাদা পোশাকে থাকা পাঁচবিবি থানার কনস্টেবল মহিদুল ইসলাম তাকে থামতে বলেন। খালেক তার কথা না শুনতে পেরে মোটরসাইকেল চালিয়ে যান। মহিদুলও তার পিছু নেন। ক্ষেতলাল থানা এলাকার বটতলী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে লেবু মোল্লার সারের দোকানের সামনে এলে কনস্টেবল মহিদুল ইসলাম তার গতিরোধ করেন। এ সময় টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন তিনি। পরক্ষণেই আব্দুল ছালেক চিৎকার দেন। তার চিৎকারে আশপাশে থাকা লোকজন ছুটে এসে পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে। এ সময় পুলিশ পরিচয় দিলেও তিনি কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষেতলাল থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে কনস্টেবল মহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

টাকার মালিক ছালেক প্রামাণিকের ভগ্নিপতি রতন মিয়া বলেন, এর আগেও আমার ১৪ লাখ টাকা একইভাবে ছিনতাই হয়েছে। থানায় মামলাও করেছি। কিন্তু আজও ওই টাকা উদ্ধার বা কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এবারের ঘটনায়ও অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান তিনি।

ওই ব্যবসায়ীর মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ওবায়দুল বলেন, ডালিম ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে আমাদের ধাওয়া করে ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে ওই ব্যক্তি। আমরা জানতাম না, তিনি একজন পুলিশ কনস্টেবল।

মহিদুলের বরাত দিয়ে ক্ষেতলাল থানার সেকেন্ড অফিসার লুৎফর রহমান বলেন, একটি মোটরসাইকেলে করে ফেন্সিডিল পাচারের সংবাদে সে তাদের ধাওয়া করে। পরে বটতলী বাজারে ঘটনাটি সম্পূর্ণরুপে বিপরীত হলে তাকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শী বটতলী বাজারের ট্রাকচালক ইয়াকুব আলী বলেন, ব্যবসায়ী এবং পুলিশ কনস্টেবল যখন বটতলী বাজারে পৌঁছে, তখন ওই ব্যবসায়ীর ব্যাগে আমরা শুধু টাকা দেখেছি। এ সময় কোনো প্রকার ফেন্সিডিল দেখতে পাইনি।

এদিকে কনস্টেবল মহিদুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান। তিনি বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: