সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যেভাবে এফআর টাওয়ারের মালিক হলেন বিএনপি নেতা তাসভির!


ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপি নেতা তাসভির উল ইসলামকে গ্রেফতার হয়েছেন। ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন জানান, শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে তাসভিরের বারিধারার বাসা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তাসভির উল ইসলাম। ২০০১-২০০৬ সালের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে তাসভির ওই ১৮ তলা ভবনটিকে ২৩ তলায় উন্নীত করেন।

জানা গেছে, তাসভির উল ইসলাম কাশেম ড্রাইসেলস কোম্পানি লিমিডেট নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নির্বাহী কর্মকর্তা।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে ভবনটির ভূমি মালিক ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও রূপায়ন গ্রুপ যৌথভাবে নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন করে।

সে সময় রাজউক ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন দেয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর ভবনটিকে ২৩ তলা পর্যন্ত বর্ধিত করে নির্মাণ করা হয়।

ডেভেলপার কোম্পানি ভবনটির ২০ ও ২১তম তলাটি প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য মাইদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে। তার কাছ থেকে ফ্লোর দু’টি কিনে নেন তাসবিরুল ইসলাম।

এরপর তিনি নকশা পরিবর্তন করে ছাদের ওপর আরও দুটি ফ্লোর নির্মাণ করেন। গত বৃহস্পতিবার বনানীর এফআর বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জন নিহত হন। আহত অবস্থায় অর্ধ শতাধিক জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতদের মধ্যে আবু হেনা মোস্তফা কামাল নামের একজনের শনিবার (৩০ মার্চ) হাসপাতালে মৃত্যু হলে এ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়াল। বৃহস্পতিবারের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জাতি বিভৎসতা ও না মেনে নেয়ার মতো ঘটনার সাক্ষী হয়েছে।

সেদিন বাঁচার আকুতি নিয়ে দমকল বাহিনীর মইতে উঠতে না পেরে সুউচ্চ ভবনটির বিভিন্ন ফ্লোর থেকে লাফিয়ে পড়তে দেখা গেছে মানুষদের। জানা গেছে, সুউচ্চ এফআর টাওয়ারে ২৫টির মতো বিভিন্ন অফিস ছিল।

গড়ে প্রতি অফিসে ১০০ জন করে কর্মজীবী থাকলেও সে সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ৫০০। সিঁড়ির ব্যাসার্ধ ছিল ৩৬ ইঞ্চি। ভূমিকম্প কিংবা আগুন লাগলে মাত্র ৩৬ ইঞ্চি চওড়া সিঁড়ি দিয়ে একসঙ্গে কীভাবে এত মানুষ জরুরি ভিত্তিতে নামবে, সে প্রশ্ন সামনে চলে আসে।

ভবন কর্তৃপক্ষ যে এ ব্যাপারে উদাসীন ছিল সে বিষয়টি সন্দেহাতীত প্রমাণিত। আবার এ ভবনে যারা অফিস নিয়ে কার্যক্রম চালিয়েছেন, তারাও নিরাপত্তার বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখার অবকাশ পাননি।

তবে ভবন মালিকই যে এ ক্ষেত্রে সর্বেসর্বা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার কথাই চূড়ান্ত। বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় একটি অফিস পাওয়াও অনেকে সৌভাগ্য মনে করেন।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: