সর্বশেষ আপডেট : ৪৫ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আমি শেষ হয়ে গেছি, এখন ভিক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই!

নিউজ ডেস্ক:: রাজধানীর গুলশান ১ এর ডিএনসিসি মার্কেটের পাশে কাঁচাবাজারে আজ ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই আগুন ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের চেষ্টায় সকাল ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে অনেক মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি পুরো নিঃস্ব হয়ে গেছেন। ২০১৭ সালে এর আগে একবার অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তার দোকানের ৭৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। এরপর ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। কিন্তু ঋণের টাকা পরিশোধ করার আগেই ফের নিঃস্ব হয়ে গেলেন রেজাউল।

রেজাউল ইসলাম জানান, গতবার আগুন লাগার পর আমি বিদিশায় পড়ে গিয়েছিলাম। এত টাকার মালামাল পুড়ে গিয়েছে। তারপরও কোন সহায়তা পাইনি কোথাও থেকে। কোনো সহায়তা না পেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আবার দোকান চালু করেছিলাম। কিন্তু আজকের আগুন আমাকে একেবারে পথে বসিয়ে দিলো। দোকানের প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেলাম। কি করবো আমি এখন!

৮ বছর বয়সী একটি কন্যা ও স্ত্রীসহ রামপুরায় বসবাস করেন রেজাউল। পরিবার নিয়ে এই শহরে থাকার আর কোন সুযোগ দেখছেন না তিনি। চোখেমুখে কান্নার আহাজারি। রেজাউল বলেন, ঋণের টাকা এখনও পুরোপুরি পরিশোধ হয়নি। এরই মধ্যে আবার সব ছাই হয়ে গেল। এখন ভিক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই।

শনিবারের ভোরের এই আগুনে পুড়ে গেছে রেজাউলের মতো অনেক ব্যবসায়ীর স্বপ্ন। যাদের মধ্যে অধিকাংশ ব্যবসায়ী আগেরবারের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারিতে এই মার্কেটে আগুন লেগেছিল। সেই আগুনে মার্কেটটির বহু দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। নিঃস্ব হয়েছিলেন অনেক ব্যবসায়ী।





নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: