সর্বশেষ আপডেট : ২০ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারে বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জের মুখে নৌকার পরাজয়

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: জল্পনা-কল্পনার অবসান শেষে মৌলভীবাজার জেলার ৭ উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী ৭ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ২ জন জয় লাভ করেছেন। আর একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছে। দলীয় প্রার্থীদের এমন পরাজয়ের কারণ বিদ্রোহ। দলে থেকেও দলের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া।

উপজেলা নির্বাচনে মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোট হয় নি। আ.লীগ মনোনিত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। আর ভাইস-চেয়ারম্যান পদে পূবের্রও দুজনই নির্বাচিত হয়েছে। তাই এই উপজেলায় ভোটের আমেজ নেই।
তবে ভোটের লড়াই জমেছিলো রাজনগর উপজেলায়। একদিকে নৌকা নিয়ে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আছকির খান আর অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রর্থী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মিছবাহুদ্দোজা (ভেলাই)। দুজন’ই এই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ। তাদের সাথে লড়াই করার জন্য ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সদস্য সাতির মিয়া। সবকিছু উপেক্ষা করে এই উপজেলায় চমক দেখান উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা লন্ডন প্রবাসী শাহজাহান খান। রাজনগরে আ.লীগের দলীয় প্রার্থী ছিলেন আছকির খান। ফলের সমীকরণে তার অবস্থান ৩ এ নেমেছে। দলের বিদ্রোহী হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা মিছবাহুদ্দোজা (ভেলাই) আর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহজাহান খান। শাহজাহান এবার খেলা দেখিয়ে দিয়েছেন। বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। যদিও ভোটের আগে তার পক্ষে জন¯্রােত সৃষ্টি হয়েছে। আর আ.লীগের প্রার্থী গিয়েছেন তৃতীয় অবস্থানে। এক হালি আ’লীগের ভিড় থেকে শাহজাহান খান চেয়ারম্যান হওয়ায় চমক হিসেবে দেখছেন উপজেলা বাসি।

এদিকে শ্রীমঙ্গলে আর কমলগঞ্জে বর্তমান দুই চেয়ারম্যান পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন কমলগঞ্জে অধ্যাপক রফিকুর রহমান ও শ্রীমঙ্গলে রণধির কুমার দেব। তারা উভয়েই আ.লীগের দলীয় প্রার্থী। এবং বিদ্রোহীরা তাদের দমিয়ে রাখতে পারেন নি। বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে।
তবে হাওরের রাজ্য কুলাউড়া, জুড়ি আর বড়লেখায় নৌকার ভরডুবি। এই তিন উপজেলায় রয়েছেন একাধিক বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী। এখন ফলাফলের সমীকরণে অনেক আ.লীগের দলীয় প্রার্থীর অবস্থান একেবারেই তৃতীয় অবস্থানে।
কুলাউড়া উপজেলায় আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যক্ষ একে এম শফি আহমদ সলমান (স্বতন্ত্র) বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন আ,লীগের প্রার্থী আসম কামরুল ইসলাম।

জুড়ী হয়েছে বিদ্রোহী বিদ্রেহী লড়াই। তুমিও বিদ্রোহী আমি বিদ্রোহী। এখন লড়াই হবে। এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। যার করণে একেবারেই শূনে নেমেছেন আ.লীগের প্রার্থী গুলশান আরা মিলি। ভোটও পয়েছেন অল্প। শেষমেষ দেবরের কাছে হার মানলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন এম এ মুহিদ ফারুক। ফারুক জুড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ মুমীত আসুকের ছোট ভাই। তিনি হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। অন্যদিকে, মিলি আসুকের স্ত্রী।

বড়লেখা উপজেলায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সুয়েব আহমদ। তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভের জন্য অনেক প্রচেষ্টা করেছেন। রাজপথে নেমেছেন কিন্তু পানানি। তাতে কী? দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাড়িয়ে বিজয়ী হয়েছে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: