সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সরকারের দুর্বল জায়গা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

নিউজ ডেস্ক:: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বর্তমানে সরকারের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কাংলাদেশে (কেআইবি) জনতা ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন-২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি চলতি অর্থবছরে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ হবে। এখন পর্যন্ত জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১ শতাংশ রয়েছে।

তিনি বলেন, লিজ প্রতিষ্ঠান দুই-একটা ছাড়া ফোন ধরারও লোক পাওয়া যায় না। এজন্য প্রত্যেকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিশেষ অডিট করা হবে। এটি কাউকে বিপদে ফেলতে নয়। স্বচ্ছতার জন্য এটি করা হবে।

যারা ব্যাংকিং বুঝে না বোর্ডে তাদের রাখব না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বোর্ডে যদি একজন অসৎ লোক থাকে তাহলে পুরো ব্যবস্থাকে নষ্ট করে দেয়। তাই যারা বুঝে না তাদের বোর্ডে রাখব না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমি বলেছি। প্রয়োজনে আরও বলব। কোনো অবস্থায় তাদের রাখব না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার দুর্নীতি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কাজ করছে। আমরা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের ধরব। তবে আমরা কোনো ব্যবসায়ীকে জেলে পাঠাবো না, যদি তারা স্বীকার করে এবং আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দেয়। আর আসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যাংকের কর্মকর্তারাও রয়েছে। তাদেরও ধরা হবে।

জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান লুনা সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম আজাদ। তিনি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা তুলে ধরে বলেন, ২০১৮ সাল শেষে জনতা ব্যাংকের আমানত দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এ সময় ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা। লোকসানি শাখায় একটি কমে ৫৬টিতে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও এননটেক্স গ্রুপের ঋণের কারণে আমাদের খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ক্রিসেন্ট গ্রুপের ঋণ আদায়ের লক্ষে অর্থঋণ আদালতে আমরা মামলা করেছি এবং এননটেক্স গ্রুপের ঋণ আদায় ও নিয়মিতকরণে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আশা করছি, ২০১৯ সালে শ্রেণিকৃত ঋণ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সক্ষম হব।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: