সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

লাশ কবর থেকে তুলে এনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান!

ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: মৃতের জন্য অন্তেষ্টিক্রিয়া বা শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের মতো ধর্মীয় বা সামাজিক রীতি প্রায় সব দেশেই রয়েছে। তবে মৃত্যুর সপ্তাহখানেক পর মৃতদেহকে কবর থেকে তুলে এনে অন্তেষ্টিক্রিয়া চলছে, এমন হয় কি?

জানা গেছে, এমনই এক অদ্ভুত সামাজিক রীতি পালন করে আসছেন ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি পর্বতের বিচ্ছিন্ন একটি গ্রামবাসী। একবার নয়, এমনটি করা হয় প্রতি তিন বছর পর পর।

সে গ্রামের অধিবাসী তোরাজান উপজাতি গত কয়েক শতাব্দী ধরে এমন অদ্ভুত রীতি পালন করে আসছেন। শতাব্দী প্রাচীন এ রীতির নাম ‘মানিন’। দেশটির এক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দারা প্রতি তিন বছর পর পর তাদের মৃত স্বজনদের দেহ কবর থেকে তুলে আনেন।

মৃতদের পুরনো কাপড় বদলে নতুন কাপড় পরিয়ে দেন। এর পর সাজিয়ে-গুজিয়ে হইহুল্লোড় করে বাড়ি নিয়ে যান তারা। মৃতকে আবার সমাধিস্থ করার আগে কফিনকে মেরামত ও সুসজ্জিত করেন তারা। এ ছাড়া মৃতকে বাড়ি নিয়ে পালন করা হয় নানা ধরনের অনুষ্ঠান।

তোরাজান উপজাতির বিশ্বাস, এই মৃত্যুই জীবনের শেষ নয়, এটি শুধু আধ্যাত্মিক জীবনে প্রবেশের একটি পর্যায়। এ ছাড়া মৃতদের আত্মা প্রিয়জনের কাছে ফিরে আসে বলেও বিশ্বাস করেন তারা।

তাই প্রতি বছর মৃতরা কেমন আছেন তা দেখতে এবং মৃতের পরিজনরা কেমন আছেন, তা দেখাতে মৃতকে কবর থেকে তুলে আনা হয়। এভাবে তিন বছর ধরে চলে এমন রীতি।

অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে এমন অদ্ভুত রীতি শতাব্দী ধরে পালন করে আসছেন তোরাজানরা। অনেকে বেশ জাঁকজমকে এই রীতি পালনে করে থাকেন। ‘মানিন’ রীতি এখনও একইভাবে পালিত হচ্ছে তোরাজান উপজাতিতে।

ডি সি গুপ্তা আরও বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য এই কোর্স শেষ হওয়ার পর মেয়েদের মধ্যে যেন সংসার ও সমাজে তাদের অবস্থান স্পষ্ট হয়। সমাজে একটা বদল আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রথমবার ৩০ জন মেয়েকে নিয়ে শুরু হবে। এই কোর্সে ভর্তির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কি হবে তা নিয়ে অবশ্য এখনও কেউ কিছু জানাননি।

এদিকে সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কে এন ত্রিপাঠি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তবে অনেক শিক্ষাবিদের কাছে এটি হাস্যকর উদ্যোগ। এর আগে বারানসি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরণের একটি উদ্যোগ নেওয়ার কথা শোনা গেলেও পরে তা ভুল বলে জানা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে কি উদ্যোগের কি পরিণতি হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: