সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মিনিট ৫০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৭ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আমাদের অন্যতম প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান – সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ

একদিকে হাসিমুখে বরণ, অন্যদিকে কান্নাভেজা বিদায়। এ দুইয়ের সম্মিলনে সিলেটের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৩টায় সিলেট শহরতলির বটেশ্বরস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদ্য সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ।

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি ড. তৌফিক রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ও সিলেট-৫ আসনের সাংসদ হাফিজ আহমদ মজুমদার, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব ও মাগুরা-১ আসনের সাংসদ সাইফুজ্জামান শিখর, সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও সিলেট এরিয়ার কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম শামিম-উজ-জামান বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি, সাবেক সাংসদ সৈয়দা জেবুন্নেছা হক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন, সূচনা বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ফজলুর রব তানভীর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এডভোকেট মো. আব্বাছ উদ্দিন এবং শিক্ষার্থী রেজওয়ানা সামী, রবিউল করিম ও সানজিদা চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আমাদের অন্যতম প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয় নতুন সম্ভাবনা তৈরী করেছে। এটাকে এগিয়ে নিতে হবে। সিলেটের মানুষ হিসেবে আমি গর্বিত যে, এখানকার মানুষ শিক্ষার প্রসারে এগিয়ে আসছেন।’ নাহিদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়া অবস্থা থেকে সামনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।’ শিক্ষার প্রসারে ড. তৌফিক রহমানের অবদানের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান সাবেক শিক্ষামন্ত্রী।

সভাপতির বক্তব্যে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী বলেন, ‘শুধু লেখাপড়া করে শিক্ষিত হওয়া নয়, যারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পা রেখেছেন, তাদেরকে আদর্শ মানুষ হতে হবে। কারণ তারাই বাংলাদেশের ভবিষ্যত। যারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নিচ্ছেন, তারাও বিভিন্নভাবে আমাদের পথচলায় সাথে থাকবেন।’
গতকাল অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ‘ক্যারিয়ার সেন্টার’ এর উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এ বিষয়ে নিজের বক্তব্যে ড. তৌফিক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সে চেষ্টাই আমরা করছি। এই লক্ষ্যে ক্যারিয়ার সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। এই সেন্টারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থীরা চাকরিলাভ, ইন্টার্নশিপ এবং উচ্চতর শিক্ষার জন্য বিদেশে বৃত্তিলাভের সুযোগ পাবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংসদ হাফিজ আহমদ মজুমদার বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিস্ময়। বিশ্ব এখন অবাক হয়ে ভাবে, এ দেশ কিভাবে এতোটা এগিয়ে গেল। এটা সম্ভব হয়েছ সঠিক নেতৃত্বের কারণে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষা দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে বিশ্বকে জয় করতে চাই। জ্ঞানবিজ্ঞানে আমরা সমৃদ্ধ হলে পৃথিবীর শ্রদ্ধা আদায় করতে পারবো।’
সাংসদ সাইফুজ্জামান শিখর বলেন, ‘স্বপ্ন না থাকলে মানুষ জড় পদার্থ হয়ে যায়। তবে যে জন্ম শুধু নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, সে জন্মে স্বার্থকতা নেই। স্বপ্ন দেখতে হবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের, আমাদের বাচ্চাদের স্বপ্নের মতো সুযোগ করে দিয়েছি। সরকার পাশে থেকে মসৃণ রাস্তা করে দিয়েছে। এখন সামনে এগিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তাদের।’ নিজের বক্তব্যে নতুন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানান মেজর জেনারেল এস এম শামিম-উজ-জামান। পরে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিকে স্মারক উপহার দেন মেজর জেনারেল শামিম।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নজরুল হক চৌধুরী, ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাহের বিল্লাল খলিফা, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক এবং আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মূল অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোহসিনা বুশরা এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি পাল বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের স্মারক দিয়ে শুভেচ্ছা এবং নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এদিকে স্প্রিং টার্মে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে তিনজনকে স্মার্টফোন উপহার দেয়া হয়। এ তিন শিক্ষার্থী হলেন মাহফুজা সারোয়ার, ফাহিমা আক্তার ও সাজ্জাদুল ইসলাম। প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। – বিজ্ঞপ্তি



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: