সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শাবিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের মিছিল ও সমাবেশ

শাবি প্রতিনিধি:: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট শাবি শাখার উদ্যোগে রবিবার দুপুরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩রা ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জুনতলা থেকে শাকসুর নির্বাচনের দাবিতে মিছিল বের করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট শাবি শাখা। এসময় মিছিলে হাতে লেখা ‘ক্যাম্পাসে শাকসু নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত কর’, ‘অবিলম্বে শাকসু নির্বাচন দিতে হবে’, ‘শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত কর’ স্লোগান সংবলিত প্লাকার্ড দেখা যায়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের সামনে থেকে ঘুরে এসে গোলচত্বর এলাকায় ছাত্রছাত্রী ছাউনিতে এসে শেষ হয়।

মিছিল পরবর্তী তারা সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশের শাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহবায়ক প্রসেনজিৎ রুদ্রের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক নাযিরুল আজম বিশ্বাসের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ছাত্রফ্রন্ট কর্মী সদস্য ইউশা রশিদ ইফাজ, শাবি কমিটির সদস্য মুহম্মদ মঈনুদ্দিন মিয়া এবং তৌহিদুজ্জামান জুয়েল প্রমূখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়নের প্লাটফর্ম হিসেবে পরিচিত শাকসু অচল করে রাখা হয়েছে। অথচ পাকিস্তান শাসনের পতন, এরশাদ সরকারের পতন ঘটানোর জন্য প্রথম আন্দোলন গড়ে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতাদের মাধ্যমে। আজকে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্র সংসদের নির্বাচন না থাকায় ক্যাম্পাস গুলোতে কোন জবাবদিহিতা নেই।

তারা বলেন, আজ এটা দিনের আলোর মত সত্য যে, বিভিন্ন সময়ে ছাত্র স্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্ত, নীতিমালা বা কৌশলপত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই একে অচল করে রাখা হয়েছে। দফায় দফায় বেতন ফি বা ক্রেডিট ফি বৃদ্ধি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাচারী ও অগণতান্ত্রিক নিয়ম চালু এবং শিক্ষাকে ক্রমাগত বাণিজ্যিক ও বেসরকারিকরণের জন্য ইউজিসি ও বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা প্রশাসন গুলোর উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে।

তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এজটি রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্র কিন্তু সেখানে চলছে সৈরশাসন। ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদের নির্বাচন না থাকায় হল গুলোতে চলে দখলদারিত্ব। সেখানে কোন নন পলিটিক্যাল শিক্ষার্থীরা সিট পায় না। বহুদিন ধরে দেয়াল লিখন এর মত গুরুত্বপূর্ণ মত প্রকাশের মাধ্যমকে বন্ধ রাখার পর এখন রোড পেইন্টিং এর ওপরও অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা মৌখিকভাবে জারি করা হচ্ছে। উল্টোদিকে একই সাথে পাল্লা দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের সংগঠন এর দখলদারিত্ব ও আধিপত্যের বিস্তার হয়েছে। ফলে ক্যাম্পাসের সকল সংগঠনগুলোর সহাবস্থান, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ সংকুচিত হয়ে গেছে।

পরিশেষে তারা, ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ নির্বাচন হওয়া শাকসু’র নির্বাচন দিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্লাটফর্ম তৈরি করে দেওয়ার জোর দাবি জানান।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: