সর্বশেষ আপডেট : ১৬ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘সচেতন না হলে নিরাপদ খাদ্য বড় চ্যালেঞ্জ’

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। এটি না হলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান।

আজ (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস। নানা আয়োজনে দেশে দ্বিতীয়বারের মতো দিবসটি পালিত হচ্ছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে সচেতন করে তোলাই দিবসটি পালনের মূল্য উদ্দেশ্য।

‘সুস্থ-সবল জাতি চাই পুষ্টিসম্মত নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবার ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস- ২০১৯’ পালিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ বাণী দিয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের করণীয় বিভিন্ন বিষয়ে সঙ্গে কথা বলেন ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে। কারণ আমাদের এখানে ভেজাল, নকল, অপরিছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরিসহ নিম্নমানের খাদ্যে ভরে গেছে। ভেজাল খাদ্য খেয়ে মানুষ মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। এটি দূর করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায় অনৈতিক প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে।

এছাড়া পরিবারিক রান্নায়ও আমরা অনেক ক্ষেত্রে সচেতন না উল্লেখ করে ক্যাব সভাপতি বলেন, আমরা বাড়িঘরেও ভেজাল খাদ্য খাচ্ছি। কাঁচা মাংসের সঙ্গে রান্না করা খাবার রাখছি। এতে করে নিজের অজান্তে খাবার দূষণ করছি। তাই খাদ্য নিরাপদ নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের নয়, মানুষকে সচেতন হতে হবে। আর সবাই সচেতন না হলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

ক্যাব সভাপতি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইন করেছে। এরপর এটি বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করেছে। প্রায় চার বছর পার হলেও লোকবল সংকটে তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করতে পারছে না। তবে তারপরও সংস্থাটি সম্প্রতি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম রাজধানীর কিছু এলাকায় হোটেল-রেস্তোরাঁয় গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করা। এটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্ত এটি ঠিকমতো চলছে কি না- তা তদারকি করতে হবে।

এ সময় তিনি নিরাপদ খাদ্যের জন্য জনসচেতনতার পাশাপাশি সরকারের নেয়া পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করার দাবি জানান।

জানা গেছে, ভোক্তা ও ভোজনরসিকদের স্বার্থরক্ষায় ঢাকার কয়েকটি এলাকার রেস্তোরাঁর মানকে এ-প্লাস, এ, বি, সি- এই চার গ্রেডিং সিস্টেমে তালিকাভুক্ত করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। গত ২০ জানুয়ারি এই গ্রেডিং পদ্ধতি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

কার্যক্রমের অধীনে রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা, পল্টন ও সচিবালয়সহ কয়েকটি এলাকায় পাইলট প্রকল্পের অধীনে ১৮টি রেস্তোরাঁকে এ-প্লাস এবং ৩৯টি রেস্তোরাঁকে এ গ্রেডের স্টিকার দেয়া হয়।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: