সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
সোমবার, ২০ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মোদি চৌকিদার, আমি পাহারাদার: মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘মিথ্যাবাদী চৌকিদার’ এবং নিজেকে ‘জনগণের পাহারাদার’ বলে মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার রামপুরহাটে প্রশাসনিক সভায় বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন আগাগোড়া আক্রমণাত্মক। এসময় তিনি ওই মন্তব্য করেন বলে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গেই বিজেপিকে চিহ্নিত মমতা করলেন ‘চোর-ডাকাত’এর দল বলে। মমতার বক্তব্য, ‘বিজেপি এই রাজ্যে সমান্তরাল সরকার চালানোর চেষ্টা করছে। মানুষকে ভাঁওতা দিচ্ছে।’প্রধানমন্ত্রীর দিকে আঙুল তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা চোর-ডাকাতের দল। তোমার মতো মিথ্যে কথা বলা চৌকিদার আমি নই। ১৫ লক্ষ টাকা করে ব্যাঙ্কে দিয়ে দেব বলি না। জনগণের টাকা লুঠ করি না।’

এর পরেই জনগণের উদ্দেশে মমতার সতর্কবাণী, ‘আমি মানুষের পাহারাদার। আমি আছি বলে এ রাজ্যে কোনও আঁচ পান না আপনারা। দেশে কী হচ্ছে রাজ্যের মানুষকে বুঝতে দিই না। আগলে রাখি।’

রাজ্যের প্রকল্প বনাম কেন্দ্রের প্রকল্প নিয়ে চাপানউতোরেও এ দিন মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েক দিন আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যে এসে পকেট থেকে তালিকা বার করে দাবি করেছিলেন কেন্দ্রের শতাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এখানে রাজ্য সরকার নিজেদের মতো করে ব্যবহার করছে, অথবা করতে দিচ্ছে না।

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটে প্রশাসনিক সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির ওই দাবি কার্যত তুলোধোনা করে প্রকল্পের নাম ধরে ধরে জানিয়ে দেন, কেন্দ্র তাদের প্রকল্প করার বহু আগে থেকেই রাজ্য প্রকল্পগুলি শুরু করে দিয়েছে। প্রবল আর্থিক চাপ, কেন্দ্রের দেনা ইত্যাদি শোধ করতে হলেও প্রকল্পগুলি বন্ধ হয়নি, বরং নতুন নতুন সংযোজন হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দিল্লির কিছু অর্ধশিক্ষিত, গর্দ-শিক্ষিত নেতা বলছেন, কন্যাশ্রী নাকি আমরা অনুকরণ করেছি। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। কন্যাশ্রী ২০১৩ সালে শুরু হয়েছিল। বেটি বাঁচাও শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালে। আপনারা আমাদের টুকলি করেছেন। নির্মল বাংলা কবে শুরু হয়েছে? আর নাচ গান করে স্বচ্ছ ভারত বলে কবে রাস্তায় নেমেছেন? ন্যাকামো যত!’

একই সঙ্গে তার মন্তব্য, সারা দেশে বেটি বাঁচাওয়ের বাজেট ১০০ কোটি টাকা। সেখানে শুধু কন্যাশ্রীর জন্য রাজ্যের ইতিমধ্যেই খরচ হয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা।তার আরও দাবি, এখানে কৃষক বীমার টাকা কেন্দ্র দেয় না, রাজ্যই দেয়। তিনি বলেন, ‘ওরা পোস্ট অফিসকে ব্যবহার করছে। দালালি করে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া কার্ড পাঠাচ্ছে। এ সব প্রকল্পে আমরা ৮০ টাকা দিই। ওরা ২০ টাকা দেয়। চ্যালেঞ্জ করলাম। ভুল বললে গরদান কেটে নেবেন।’

রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করে মঙ্গলবার শাহ ঘোষণা করেছিলেন, মে মাসের শেষে ভোট গণনার দিন, বেলা দু’টি নাগাদ এ রাজ্যে তৃণমূল সরকারের পতন হবে।

এ দিন তার প্রতিক্রিয়ায় মমতার কটাক্ষ, ‘কয়েকটা গদ্দার, গুন্ডা এসে বলে দিচ্ছেন, নির্বাচনের ফল কবে বেরবে। কটার সময় বেরবে। নির্বাচন কমিশনটাও ওদের হয়ে গিয়েছে নাকি? আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে এই প্রশ্ন নিয়ে যাব!’ এরপরই তার হুঙ্কার, ‘এ রাজ্যে ৪২টা আসনেই তোমরা হারবে।’







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: