সর্বশেষ আপডেট : ১৬ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৭ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

উপশহর নিয়ে ষড়যন্ত্রকারী বহিরাগত গোষ্ঠীই কাউন্সিলর সেলিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে

একটি বহিরাগত অপরাধী গোষ্ঠী সিলেট নগরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এডভোকেট সালেহ আহমদ সেলিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন শাহজালাল উপশহরের সর্বস্তরের বাসিন্দারা। তারা দাবি করেছেন সোনার পাড়া ওয়ালিদ নামের এক কর্মহীন যুবক তার অপকর্ম চালিয়ে যেতে না পেরে তাদের ওয়ার্ডে স্বনামধন্য কাউন্সিলর ক্লিন ইমেজের অধিকারী সালেহ আহমদ সেলিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে উপশহর বাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কামাল উদ্দিন।

সামাজিক উন্নয়নমূলক যে কোন কর্মকান্ডে সকল সময় আমাদের পাশে পাচ্ছি কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিমকে। তাছাড়া আমাদের অভিজাত এলাকায় বহিরাগত ছিনতাইকারী, চোর ও দালালদের বিভিন্ন সময় ধরেছি এবং কাউন্সিলরকে অবগত করে তাদেরকে পুলিশে সোর্পদ করেছি। কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় যে, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিম ও আমাদের এলাকার সুনাম বিনষ্ট করার লক্ষ্যে বহিরাগত সন্ত্রাসী ও তাদের বাহিনীর ক্যাডাররা নানা অপরাধ-অপকর্ম ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিম সেই সকল সন্ত্রাসীদের বিতাড়িত করার লক্ষ্যে এলাকার লোকদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই আক্রোশে বহিরাগতরা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ওই এলাকার মানুষজনকে একেবারে জিম্মি করার জন্য নানা কৌশল করা হচ্ছে। এসকল কারণে ঐ বহিরাগত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আমাদের এলাকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত কাউন্সিলরের সুনাম নষ্ট ও উপশহর এলাকার মানহানি ঘঠাতে উঠে পড়ে লেগেছে।

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিম ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ অবধি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। তিনি সদা হাস্যসুলভ ভঙ্গির ও সবার সাথে থেকে মিলে মিশে সব সময় চলাফেরা করেন। তার রাজনৈতিক পারদর্শীতা ও সামাজিকতা দেখে ছাত্র জীবনে মদন মোহন কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের ভোটে নির্বাচিত কেবিনেটে বার্ষিকী সম্পাদক ও সিলেট ল’ কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। মদনমোহন কলেজ ছাত্রলীগের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতিও ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির উদীয়মান ক্লিন ইমেজের একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। উনার ক্লিন ইমেজকে নষ্ট করার জন্য একটি মহলের ইন্ধনে ও কুপরামর্শে ওয়ালিদ নানা ধরণের মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমাদের ভোটে নির্বাচিত ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিমের মানসম্মান ক্ষুন্ন হওয়া মানে আমাদের উপশহরবাসীর সম্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করি।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সুনাম নষ্ট করার লক্ষ্যে, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নগরীর শিবগঞ্জ সোনারপাড়াস্থ নবারুণ ৪৫-এর মরহুম ইলিয়াছ মিয়ার পুত্র মো. ওয়ালিদ হোসেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের অভিজাত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম সহ সাধারণ জনগণকে নির্যাতন-নিপীড়ন ও নানাবিধ অপরাধ অপকর্ম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আর সেই সন্ত্রাসী ওয়ালিদ, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও বর্তমানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী দাবি করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে চায়। সন্ত্রাসী ওয়ালিদের কোন পেশা নেই। সে বিভিন্ন সময় উপশহরে বিভিন্ন ধরণের টং , ভাসমান দোকান বসিয়ে সে নানা ধরণের অবৈধ ব্যবসা প্রসারিত করতে চায়। আর প্রতিনিয়তই উপশহর সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে চাঁদাবাজি করে, নানা ধরণের ভয়ভীতি প্রর্দশন করে টাউটামি করে থাকে। আর বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছ থেকে কাজ করে দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়। কিন্তু কাজ না করে উল্টো ঐ সকল লোককে হত্যার হুমকী প্রদান করে সন্ত্রাসী ওয়ালিদ। তাছাড়া সন্ত্রাসী ওয়ালিদ তার সহযোগি সেপুল ও ফখর মিলে নাম্বার বিহীন মোটর সাইকেল দিয়ে উপশহর এলাকায় বিভিন্ন সময় ছিনতাই এবং হাইজ্যাক করে বেড়ায়।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিম অভিজাত এলাকার সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ওয়ার্ডে বিদ্যুতের ‘এলইডি লাইট’ লাগানোর কাজ করছেন। সেই কাজ দেখে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে খুটিতে লাগানো লাইটগুলো খুলে নিচ্ছে। ফলে বিভিন্ন স্থান একেবারে অন্ধকারে রয়েছে। আমরা এর প্রতিবাদ করি। এতে করে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় উপশহর এলাকায় বাসা বাড়িতে চুরি সংঘঠিত হয়। এসকল বিষয়ে বর্তমান কাউন্সিলরকে অবগত করি। এতে আরও ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে সন্ত্রাসী ওয়ালিদ ও তার বাহিনী। ফলে ওয়ালিদ প্রায়ই তার বাহিনীর লোকদের দিয়ে নানা অপরাধ অপকর্ম করার চেষ্টা করে। ওয়ার্ডে প্রায়ই তাদের এসকল কর্মকান্ডে বর্তমানে আমরা উপশহরবাসি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি।

তারা বলেন, সোনারপাড়া, তেররতন অথবা মেন্দিভাগ এলাকায় কোন ঘটনা ঘটলেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসে উপশহর এর নাম। অথচ তেররতন ২৪ নম্বর ওয়ার্ড ও মেন্দিভাগ ২৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং সোনারপাড়া ২১নং ওয়ার্ডের অর্ন্তগত। এসকল কারণে প্রায়ই সমাজের বিভিন্ন স্তরে নাজেহাল হতে হয় আমাদের উপশহরে বসবাসরত বাসিন্দাদের। ওয়ালিদ ও তার চিহ্নিত ছিনতাইকারীরা এলাকাজুড়ে জুয়া ও তীর খেলার বোর্ড, ইয়াবার চালান, উপশহর এলাকায় নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসার মত ন্যাক্কারজনক কাজ পরিচালনা করতে চায়। কিন্তু কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিম ও এলাকাবাসী মিলে তা প্রতিহত করি। এতে ঐ বাহিনী আরো ক্ষিপ্ত হয়।

এছাড়াও আমাদের অভিজাত এলাকার পরিস্কার পরিছন্ন রাখার জন্য বর্তমান কাউন্সিলর সহ ওয়ার্ডবাসি মিলে যে কোন ধরণের ফুটপাত বা বাজার না বসাতে নানা ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অভিজাত এলাকায় অবৈধভাবে বাজার বসাতে চালাচ্ছে নানা লবিং ও তদবির। কাউন্সিলর সহ সকলেই মিলে আমরা প্রতিবাদ করি। ফলে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। কিছুদিন পূর্বে সন্ত্রাসী বাহিনী মিলে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে খুন করে। এই খুনের ঘটনায়ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডবাসি মানববন্ধন সহ নানা ধরণের প্রতিবাদ করে। সেই সন্ত্রাসীরা বহিরাগতদের নিয়ে পুনরায় আমাদের অভিজাত এলাকায় তাদের অন্যায়-অবিচার ও পাপাচারের রাজ্য কায়েম করতে চাচ্ছে। আর সে কারণেই কাউন্সিলর সেলিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন ওয়ালিদসহ অপরাধীরা।

তারা এসব অপপ্রচাওে বিভ্রান্ত না হয়ে উপশহরের মর্যাদা বৃদ্ধির পক্ষে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা নিজাম উদ্দিন, লবিবুর রহমান লবিব, জাহাঙ্গীর আলম লুলু, মছরুর আহমদ চৌধুরী, এনাম উদ্দিন, শফিকুল হক, এহতেশামুল হক চৌধুরী, রাশেদ আহমেদ চৌধুরী, এডভোকেট জুবের আহমদ খান, বদরুল আমিন হারুন, আফজাল আহমদ, সোহরাব আলী, মহিবুর রহমান কলা কলা মিয়া, মাস্টার সামছুন নুর, রহিম উদ্দিন আহমদ, হাজী বাহার উদ্দিন, মো. সিরাজ খান, হাজী নুর উদ্দিন, মো. সিরাজ খান, হাজী নুর উদ্দিন, এস এম ফয়ছল ছাদ, শাহীন আহমদ প্রমুখ। – বিজ্ঞপ্তি



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: