সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সন্তান হত্যাকারী সেই প্রবাসীর মুক্তি

প্রবাস ডেস্ক:: ২০ দিন বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার দায় থেকে মুক্তি পেয়েছেন রাশিদা নামে প্রবাসী বাংলাদেশি। নিজ পুত্রকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলায় তিন বছর পর দেশটির আদালত তাকে মুক্তি দেন।

স্বামী মোহাম্মদ আহমেদ ও ২০ দিনের শিশুপুত্র রিদওয়ান আহমেদের সঙ্গে রাশিদা চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রিচমন্ড হিল এলাকায় বসবাস করতেন।

জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৮ আগস্ট ভোররাতে রাশিদা তার শিশু রিদওয়ানকে চতুর্থতলার বাথরুমের জানালা দিয়ে ফেলে দিলে নিচে কংক্রিটের ওপর পড়ে মারা যায়। এ সময় এক ধরনের শব্দ পেয়ে ওই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের একজন পুলিশকে খবর দেন। ‘জ্বিন-ভূতের নির্দেশে’ একমাত্র পুত্রকে বাইরে ছুঁড়ে মারেন বলে পুলিশকে জানান রাশিদা।

বিচারাধীন এ মামলার এক পর্যায়ে গত সপ্তাহে হত্যার দায় থেকে আদালত রাশিদাকে অব্যাহতি দিয়েছে বলে শুক্রবার জানান কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির মুখপাত্র ইকিমুলিসা লিভিংস্টন।

রাশিদার পক্ষে সাফাই সাক্ষী দেওয়া মানবাধিকারকর্মী মাজেদা উদ্দিন জানান, এখন রাশিদাকে আরও বিস্তারিত পরীক্ষা-পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবেই তাকে মানসিক রোগী বা বিকারগ্রস্ত নারী হিসেবে সন্দেহ করা হয়েছিল। এ বিবেচনায় রিকার আইল্যান্ড কারাগারের নির্জন কক্ষে আটকের সময় মাঝেমধ্যেই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সমাজ-সংগঠকরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

পুত্র রিদওয়ানকে তিনি কেন হত্যায় প্রবৃত্ত হলেন সে প্রসঙ্গেও একাধিকবার কথা হয় তার সঙ্গে। বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

রাশিদার ইচ্ছা অনুয়ায়ী তাকে তার স্বামী মোহাম্মদ আহমেদের কাছে বা রাশিদার মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হতে পারে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তারা।







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: