সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চুক্তিহীন ব্রেক্সিট: হাউস অব কমন্সে নতুন প্রতিবন্ধকতার মুখে থেরেসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট (নো ডিল ব্রেক্সিট) প্রশ্নে পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ হাউস অব কমন্সের ভোটাভুটিতে পরাজিত হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) পার্লামেন্টে এমপিদের একটি বড় অংশ অর্থ বিল সংশোধনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

লেবার এমপি ইভেত্তে কুপার প্রস্তাবিত সংশোধনীতে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট পরিস্থিতিতে সরকারের কিছু কর সংক্রান্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা খর্ব করার কথা বলা হয়েছে।এর মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসার ক্ষেত্রে আরেক ধাপ বাধার মুখে পড়লেন থেরেসা মে।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে।

২০১৯ সালে ২৯ মার্চের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এর মধ্যে ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত করা নিয়ে বার বারই হোঁচট খেয়ে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ব্রেক্সিট চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে দ্বিমতকে কেন্দ্র করে পদত্যাগ করেছেন দুই দুইজন ব্রেক্সিটবিষয়ক মন্ত্রী। অন্য মন্ত্রণালয়েরও কয়েকজন সরে দাঁড়িয়েছেন। পদত্যাগ করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনও।

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও ব্রেক্সিট নিয়ে রয়েছে প্রবল ভিন্নমত। জরিপে ব্রেক্সিট গণভোট পরবর্তী সময়ে দেশটির জনগণের মনোভাব পাল্টে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে। অন্যদিকে তেমনি ব্রেক্সিটবিরোধীদের অনেকে দাবি তুলেছেন আরেকটি গণভোটের।

কোনও চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসার বিরোধিতাকারী এমপিরা মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) অর্থ বিল সংশোধনের পক্ষে ভোট দেন। ৩০৩-২৯৬ ভোটে লেবার নেতা কুপার উত্থাপিত প্রস্তাবটি পাস হয়। হাউস অব কমন্সে দেওয়া বক্তব্যে কুপার বলেন, হাউসের এমপিরা চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিপদ থাকার আশঙ্কার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন। ‘আমার আশঙ্কা, আমরা ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছি এবং সে পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতা পার্লামেন্টের হাতে থাকবে না। আমি মনে করি, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে না দেখে আমাদের কিছু করা উচিত।’ বলেন কুপার।

এ সংশোধনী অনুযায়ী, চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট করতে গেলে ব্রিটিশ সরকারকে পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে হবে। কর আইন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা ব্যবহার করার আগেই সরকারকে এ অনুমোদন নিতে হবে।

সংশোধিত বিলটি পাসের কারণে এর পক্ষের এমপিরা ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসা ঠেকাতে আরও কিছু সংসদীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের ২০ জন এমপিও সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এর মধ্যে সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী জাস্টিন গ্রিনিংও রয়েছেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: