সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিরব কেনো ছাত্রদল?

নিউজ ডেস্ক:: ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি- এ তিন মূলনীতিকে ধারণ করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠন করেন। আশির দশকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ছাত্র সংসদে ছাত্রদলের উল্লেখযোগ্য অবস্থান ছিল। এর পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামেও সামনের সারিতে দেখা গেছে সংগঠনটিকে। যদিও বর্তমান সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে সংগঠনটির সে ধরনের ভূমিকা দৃশ্যমান নয়।

এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়েও তাদেরকে তেমন একটা রাজপথে দেখা যায়নি। তাছাড়া সদ্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আলোচনায় নেই এই সংগঠনটি। নির্বাচনে পেরে যাওয়ার পরেও তাদেরকে কোন মন্তব্য করতে দেখা যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একটা সময় আন্দোলন মানেই ছাত্রদলকে রাস্তায় দেখা যেত। সেখানে দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাদের দেখা যাচ্ছে না। খালেদা জিয়া জেলে ও তারেক জিয়ার সাজার বিষয়েও তাদেরকে তেমন কোন ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি। মাঝে মাঝে খালেদা জিয়ার জামিনকে কেন্দ্র করে মুখচোরা স্বভাবে দেখা দিয়েছে তারা। এমনকি একাদশ নির্বাচনেও তাদের ভূমিকা ছিলো নাজেহাল।

তারা বলছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে হামলা-মামলা থাকার কারণে তারা অনেকটাই রাজনীতি থেকে আড়ালে চলে গেলে। আন্দোলন করতে গেলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তোপের মুখে পিছু হটেছে তারা।

এসব ব্যাপারে সরাসরি কিছু না বললেও পহেলা জানুয়ারি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও দেশে অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সহযোগিতায় জনগণের মতামতকে হরণ করা হয়েছে।

এটা কোনো নির্বাচনের মধ্যেই পড়ে না। এ নির্বাচন জনগণের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। আবারও প্রমাণিত হল দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।এছাড়া সম্প্রতি ছাত্রদলের এক নেতা বলেছেন, বিএনপি ও ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতি পার করছে।

যদিও বিএনপির নীতিনির্ধারকদরা বলছেন, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী বিএনপির সংগঠনগুলোকে এবার ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে দলটি। কাউন্সিলে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এসব সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে বিএনপি। এছাড়াও ভোটে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে প্রার্থীদের মামলার পাশাপাশি আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েও মাঠে থাকবে দলটি।

এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দেশের জনপ্রিয় বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। এই দলটিকে নিশ্চিহ্ন করতে সরকার নানা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের চরমভাবে নির্যাতন ও হয়রানি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মনোবল ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবার স্বমহিমায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি।তাই সরকার যতই কৌশল গ্রহণ করুক এ দলটিকে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। বৈঠক করেই দলের পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: