সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই উৎসব উদ‌যাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
সারাদেশের ন্যায় এবছরও বছরের প্রথম দিনে সিলেটে পাঠ্যপুস্তক উৎসব উদযাপন করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের প্রথম দিনে নতুন শ্রেণির জন্য বিনামূল্যে বই পেতে স্কুল ও মাদ্রাসার লাখ লাখ শিশু এই উৎসবে যোগ দিয়েছে। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজা জিসি হাই স্কুল :
রাজা জিসি হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আ.লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে এখন আর আমরা পিছিয়ে নয়। বিশ্বের শিক্ষিত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে আমাদের দেশ। বছরের প্রথম দিনে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হচ্ছে। যা শিক্ষাক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আওয়ামী সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপে প্রতি বছরের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌছে দিয়ে বই উৎসব পালন করা হয়। শিক্ষাবান্ধব এ সরকারের অধীনে দেশ শিক্ষাক্ষেত্রে আরো এগিয়ে যাবে।
মঙ্গলবার (১লা জানুয়ারি) সিলেট নগরীর রাজা জিসি হাই স্কুলে বই উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মুমিতের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, শিক্ষানুরাগী সদস্য এড. মো. বেলাল উদ্দিন, জাবেদ আমিন সেলিম, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির এড. আব্বাছ উদ্দিন, মো. সাকির, জুয়েলসরকার, হাছিনা মমতাজ প্রমুখ।

কিশোরী মোহন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় :
সিলেট নগরীর মিরাবাজারে কিশোরী মোহন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বই উৎসব পালন করা হয়। মঙ্গলবার (১লা জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করেন অর্থমন্ত্রীর বোন জাতীয় অধ্যাপক সাহেলা খাতুন। এসময় তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গণে দেশকে এগিয়ে আওয়ামী সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ হলো বই উৎসব। বছরের প্রথম দিনের শিক্ষার্থীদের কাছে নতুন বই পাওয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার আরো মনোযোগী হবে। এক সময় বছরের মাঝামাঝি সময়েও শিক্ষার্থীরা বই পেতোনা। ধার করে সিনিয়রদের কাছ থেকে বই এনে পড়ালেখা করতে হতো। কিন্তু এখন আর সে সময় নেই। বছরের প্রথম দিনেই সবার হাতে বিনামূল্যে বই পৌছে যায়।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রুবি ফাতেমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক ফরিদা পারভীনের পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ড. মোমেন এমপির সহধর্মিনী সেলিনা মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নর্থ ইস্ট-এর ভাইস চ্যান্সেলর আতফুল হাই শিবলী, শেলী মুবদী, নাজিয়া খাতুন, মহিলা আ.লীগ নেত্রী হেলেন আহমদ, অত্র বিদ্যালয়ের সহ সভাপতি জাবেদ সিরাজ, সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার লিপিকা রায়, রাহাত তফাদার, আবুল হোসেন, মিহির হোসেন, জুয়েল আহমদ সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মির্জাজাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় :
সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (১লা জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাহার উদ্দিন আকন্দের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আ.লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নন্দিতা দেব, সঞ্চিতা চক্রবর্তী, সুলতানা বেগম, মঈন উদ্দিন, সোহাগ মিলন, এস.এম ফারুক আজাদ প্রমুখ।

আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নববর্ষের দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্য বই তুলে দিয়ে যে অভাবনীয় দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন তা জাতি যোগ যোগ ধরে স্মরণ রাখবে। মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর হারুনুর রশিদ একথা বলেন। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাদ্দিস আহমদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি আরও বলেন ভবিষ্যত জীবন গড়তে হলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখা পড়া করতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী।গভর্নিং বডির সদস্য বিসিবির পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। অভিভাবক সদস্য কফিল উদ্দিন বাবলু ও কয়েছ আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারি প্রধান শিক্ষক মিসেস জহুরা বেগম, বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জমির উদ্দিন, অধ্যাপক মালেকা খানম, প্রভাষক মহরম আলী, প্রভাষক রেজাউর রহমান, সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল কালাম, ১০ম শ্রেণির ছাত্রী আমেনা আক্তার ও সৈয়দা জামিলা বকুল জ্যোতি।
পবিত্র কোরআন থেকে পাঠ করে সৈয়দা জামিলা বকুল জ্যোতি, গীতা পাঠ করে মৌলি সরকার, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন। পরে প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীরদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন।

দুর্গাকুমার পাঠশালা প্রাথমিক বিদ্যালয় :
সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে দুর্গাকুমার পাঠশালা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই উৎসব পালন করা হয়। মঙ্গলবার (১লা জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আ.লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেগুপ্তা কানিছ আক্তারের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক রীতা রানী তালুকদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মঞ্জুর আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি কানু পাল, আব্দুল আলী প্রমুখ।

বালুচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় :
বছরের শুরুতেই নতুন শ্রেণীর নতুন বই হাতে পাওয়ার আনন্দে উল্লাসিত শিক্ষার্থীরা। পহেলা জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নগরীর বালুচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজাম মুনিরা
বই বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বালুচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুপ্রীতি রায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাহিদা পারভীন, টুলটিকর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিরেশ দাশ, টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আলী হোসেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রমিজ উদ্দিন বাবুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজাম মুনিরা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে বছরের শুরুতেই সারা দেশে বই বিতরণ সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জাতি গঠনে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য তিনি আহবান জানান। তিনি বিদ্যালয়ের মান বৃদ্ধিতে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি মেম্বার শিরিন আক্তার, সেলিনা আক্তার, শিক্ষিকা নার্গিস সুলতানা, লিপিকা রায়, রুমি রানী পাল প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুমান মিয়া,। অনুষ্ঠানে শেষে অতিথিদের মধ্যে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন আনিশা আক্তার, জাহানারা আক্তার ও নাফিজা খন্দকার মুন্নি।

হাজী শফিকুর রহমান আইডিয়াল একাডেমী :
সিলেট সদর উপজেলার বিমানবন্দর থানায় হাজী শফিকুর রহমান আইডিয়াল একাডেমীতে বই উৎসব পালন করা হয়। মঙ্গলবার (১লা জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়।
অভিভাবক কমিটির সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও নিসচা সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি রোটা. এম. ইকবাল হোসেন। এসময় তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাঙ্গণকে এগিয়ে নিতে ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় আগ্রহ বাড়াতে বছরের শুরুতেই ফ্রি বই বিতরণ করা হয়। সরকারের এ যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেন। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাচ্চাদেরকে সময় মতো স্কুলে পাঠান এবং তাদের পড়ালেখা প্রতি খেয়াল রাখেন। অত্র প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধির ও বাচ্চাদের লেখাপড়ার স্বার্থে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ক্লাসে পাঠদানে আরো মনযোগী হওয়ার আহবান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অভিভাবক কমিটির সদস্য ও খাদিমনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মুক্তার হোসেন, প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আক্তার হোসেন, প্রধান শিক্ষক মোছা. হাজেরা বেগম, অভিভাবক কমিটির সদস্য সুহেল আহমদ, শাহাব উদ্দিন, সমর আলী, আব্দুস সালাম, ফয়জুর রহমান, সহকারী শিক্ষক শিফা বেগম, শাহানারা বেগম, রাসেল আহমদ, মো. হানিফ প্রমুখ।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ইবতেদায়ি ও দাখিল মাদ্রাসা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮২২ কপি বই ছাপিয়েছে সরকার।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৯.৮৮ কোটি এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১৮ কোটি কপির বেশি বই ছাপানো হয়েছে।বই মুদ্রণ ও বিতরণের জন্য সরকার এক হাজার ৮২ কোটি টাকা খরচ করেছে।

মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেটের সরকারি কিন্ডার গার্ডেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেট জেলার বই উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. আসলাম উদ্দিন। উদ্বোধনী সভায় সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. উবায়দুল্লাহ।

এবার সিলেট জেলার প্রায় ৫ লাখের অধিক শিক্ষার্থী বই পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. উবায়দুল্লাহ।

সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার বই পাচ্ছে বাংলা ভার্সনে জেলায় ১ হাজার ৪শ ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য মিলে মোট ২ হাজার ৬শ ৬০টি বিদ্যালয়ের ৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৩ শিক্ষার্থী এবং ইংরেজি ভার্সনের ৩২টি বিদ্যালয়ের মোট ৬ হাজার ২শ ৬৭ শিক্ষার্থী।

এছাড়া বইয়ের চাহিদা ছিলো জেলায় বাংলা ভার্সনে মোট ২৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৩শ ৩৪টি। ইংরেজি ভার্সনে ২৮ হাজার ৮শত ৬০টি বইয়ের চাহিদা ছিলো। চাহিদার সাথে প্রাপ্তির পরিমাণও সমান বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

দেশব্যাপী প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ী, দাখিল, দাখিল ভোকেশনাল, এসএসসি ভোকেশনাল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধীসহ চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিতরণ করা হবে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ পাঠ্যবই।

উল্লেখ্য, গত নয় বছর ধরে নববর্ষের উপহার হিসেবে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ উৎসব শুরু করে সরকার।







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: