সর্বশেষ আপডেট : ২৫ মিনিট ৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘পুলিশের মৃত্যুটা দেখলেন, ২১টি গরু মারা গেল সেটা দেখছেন না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: গো-হত্যার গুজবে সৃষ্ট বিক্ষোভ ঠেকাতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছোড়া পাথরের আঘাতে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বুলন্দ শহরের এক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। ওই ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। একই ইস্যুতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগ দাবি করেছেন ৮৩ জন প্রাক্তন আমলা।

এর মধ্যেই ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে গরুর মৃত্যু নিয়েই ফের বেফাঁস মন্তব্য করেছেন তিনি।

অনুপশহরের বিধায়ক সঞ্জয় শর্মা বলেছেন, শুধুই সুমিত (বিক্ষোভে নিহত আরেক বিক্ষোভকারী) আর পুলিশ অফিসারের মৃত্যুটা দেখলেন, ২১টা গরুর মৃত্যু দেখলেন না। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, যারা গরু মেরেছে তারাই আসল অপরাধী। এ ছাড়া গোমাতাকে হত্যা বন্ধ করার চেষ্টা চলছিল বলে সাফাই গান তিনি।

উত্তরপ্রদেশে অশান্তির জন্য দায়ী করা হয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের মানুষকে নয়, গরুকেই বেশি গুরুত্ব দেন-এমন অভিযোগ রয়েছে অনেক আগে থেকেই। বুলন্দশহরে পুলিশের মৃত্যু নিয়েও মুখ খোলেননি। এর পরিবর্তে গোহত্যার ব্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুলন্দশহরে পুলিশ অফিসার সুবোধ কুমার সিংহ খুন হওয়ার তিনদিন পর উত্তরপ্রদেশের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল রাম কুমার বলেন, ‘ওই ঘটনার চেয়েও এখন আমাদের বড় প্রশ্ন, বুলন্দশহরে কে বা কারা গরু মেরেছিল?’

সহকর্মী খুনের ঘটনাকে যে তিনি ততটা গুরুত্ব দিতে চান না, তা বোঝাতে রাম কুমার বলেন, ‘গরুটাকে মারল কারা? কারা ছিল ওই ঘটনার ষড়যন্ত্রে? এটা আমাদের কাছে আরও বড় প্রশ্ন। ফরেনসিক পরীক্ষা থেকে কোনো তথ্যপ্রমাণ এখনও পর্যন্ত হাতে আসেনি আমাদের।’

প্রসঙ্গত, ৩ ডিসেম্বর বুলন্দশহরের স্যানা মহকুমা এলাকায় মাহু গ্রামের বাইরে জঙ্গল লাগোয়া একটি মাঠে প্রায় ২৫টি গরুর মাংস পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে গুজব রটে। গো-হত্যার প্রতিবাদে সকালে ওই এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। ট্র্যাক্টর ও ট্রলি ভরে ওই মাংস নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায় এলাকার প্রায় ৪০০ মানুষ। খবর পেয়ে অবরোধ সরাতে পুলিশ সেখানে গেলে বিক্ষোভকারীদের ছোড়া পাথরে গুরুতর আহত হন ইনস্পেক্টর সুবোধ কুমার সিংহ। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি মারা যান। এ ছাড়া পুলিশের গুলিতে সুমিত নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা নিহত হয়েছেন।







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: