সর্বশেষ আপডেট : ২৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আজ প্রতীক বরাদ্দ, শঙ্কা নিয়ে শুরু হচ্ছে ভোটযুদ্ধ

নিউজ ডেস্ক:: শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনয়নে টিকে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সৌভাগ্যবান প্রার্থীরা আজ থেকেই নামবেন আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণায়। এর আগে আজ বহুল কাঙ্ক্ষিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করবে নির্বাচন কমিশন। নির্দিষ্ট প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা মহাসমারোহে নেমে যাবেন ভোটের মাঠে। শুরু হবে চিরপরিচিত নির্বাচনী প্রচারণা।

শহর-গ্রাম-পাড়া-মহল্লা-অলিগলি প্রকম্পিত হতে থাকবে নানা প্রতীক, প্রার্থী ও দলের নামে মুহুর্মুহু স্লোগানে। মিছিলে মিছিলে মেতে উঠবে দেশ। দল বেঁধে মানুষ নামবে নির্বাচনী জোয়ারে। দেশ মেতে উঠবে নির্বাচনী উৎসবে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। গতকাল ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। সে অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেবেন না এমন প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে আজ প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। সে অনুযায়ী আজ থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ সালের ১৬(২) ধারা অনুযায়ী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও জোট থেকে কোনো নির্দিষ্ট আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেও গতকালের মধ্যে দল থেকে তাদেরও চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে। অনুলিপি দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে। আর এটি করা হলে ওই দল থেকে মনোনয়ন দাখিল করা অন্য প্রার্থীদের প্রার্থিতা আপনা-আপনি বাতিল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে প্রত্যাহারের প্রয়োজন পড়বে না। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের শরিকদের কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে হবে।

আরপিও অনুযায়ী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ইসিতে জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি দলীয় ও জোটগতভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ইসিতে জমা দেয়। এর বাইরে দুই জোটের শরিক দলগুলোও জোটের বাইরে কিছু আসনে দলীয় প্রার্থীর তালিকা জমা দিয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কিছু বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনে থেকে যাওয়ার তথ্যও মিলেছে।

এমনকি শেষ মুহূর্তে এসে নির্বাচনী কৌশল হিসেবে কিছু আসনে প্রার্থী বদল করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন দুই জোটই। এর ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যে অংশগ্রহণমূলক ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে—তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। বিশেষ করে মাঠের ভোটে জয় পেতে দুই বড় দলই প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে। একে অপরের কৌশল জানতে একেবারের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ ক্ষণটিকেও কাজে লাগায় দল দুইটি। এমনকি ইসিতে জমা দেওয়া তালিকার ব্যাপারেও চুপ থাকেন দলের নীতিনির্ধারকরা। প্রার্থী বদলের নাটক ঘটে শেষ বেলায়। পরে ইসি সূত্র থেকে এসব দলের প্রার্থী তালিকার ব্যাপারে জানা যায়।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে ২ হাজার ৫৬৭টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৪৯৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে।

দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৬৪টি আসনে ২৮১ জন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ২৯৫টি আসনে ৬৯৬ জন ও জাতীয় পার্টি ২১০টি আসনে ২৩৩ জন প্রার্থী দিয়েছিল। ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি বাতিল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর মধ্যে ৫৪৩টি আপিল আবেদন জমা পড়ে।

বৃহস্পতিবার থেকে গত শনিবার তিন দিনে ইসি এই ৫৪৩টি আপিল আবেদনের শুনানি করে। এর মধ্যে ২৪৩টি আবেদন গ্রহণ করে করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে ৩০০ জনের আবেদন খারিজ করে ইসি। এদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ইকবাল মাহমুদ টুকু, মীর নাসির উদ্দিন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী বাদে অধিকাংশ আলোচিত প্রার্থী ইসির আপিলে তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান।

ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৫২২ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন ১৮৫ জন। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

৩০০ আসনে মহাজোটের ৩০৩ প্রার্থী: এবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ২৫৮ জন। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টি পাঁচটি, জাসদ তিনটি, তরিকত ফেডারেশন দুইটি, বাংলাদেশ জাসদ একটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ তিনটি আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। পাশাপাশি বাইসাইকেল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (জেপি) দুইটি এবং লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি ২৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে তিনটি আসনে আওয়ামী লীগ ও জোটের একাধিক প্রার্থী আছে, যারা সবাই মহাজোটের প্রার্থী। এই আসন তিনটি হলো কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-৪ ও বরিশাল-৩। আর অবশিষ্ট ২৬টি আসনে নৌকা প্রতীকে কোনো প্রার্থী থাকবে না। এই ২৬টি আসনে লাঙ্গল প্রতীকে লড়বেন মহাজোটের প্রার্থীরা। গতকাল ইসিতে জমা দেওয়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী তালিকা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টি মহাজোটের হয়ে ২৯টি আসনে লড়বে। এর বাইরে জাতীয় পার্টির আরো ১৩২ জন প্রার্থী ১৩২টি আসনে লড়বেন। তবে এরা মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না। এসব আসনে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থী থাকবেন। এই তালিকা গতকাল নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দলের সূত্র।

বিএনপি রাখল ২৪২, দুই জোটকে দিল ৫৮: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য ৫৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ২৪২টি আসনে লড়বেন বিএনপির দলীয় প্রার্থীরা। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৮টিতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি ও শরিক দলের প্রার্থীরা নির্বাচন করবেন। অবশিষ্ট দুই আসনের মধ্যে একটিতে ২০ দলীয় জোটের নেতা ও লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ নির্বাচন করছেন নিজ দলের ‘ছাতা’ প্রতীকে। আরেকটি আসনে একজন লড়বেন স্বতন্ত্র প্রতীক নিয়ে। গত রোববার নির্বাচন কমিশনের পাঠানো শরিকদের ও দলের মনোনয়নের পূর্ণাঙ্গ তালিকা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরামকে সাতটি, জেএসডিকে চারটি, নাগরিক ঐক্যকে চারটি এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে চারটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পেল সর্বমোট ১৯টি আসন।

অন্যদিকে ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে ২২টি, এলডিপিকে পাঁচটি, খেলাফত মজলিশকে দুইটি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে তিনটি, জাতীয় পার্টিকে (কাজী জাফর) দুইটি, বিজেপি, কল্যাণ পার্টি, এনপিপি, লেবার পার্টি ও পিপিবিকে একটি করে আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ২০ দলীয় জোট ৩৯টি আসন পেল।

তালিকায় উল্লিখিত প্রতীক বরাদ্দের তথ্য অনুযায়ী, বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে এবারের নির্বাচনে লড়বেন। ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীরাও ধানের শীষ প্রতীকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে শুধু চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির প্রধান অলি আহমেদ নিজের দলের ‘ছাতা’ প্রতীক ও কক্সবাজার-২ জামায়াতের হামিদুর রহমান আজাদ স্বতন্ত্র প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন।

জোটের বাইরেও শরিক দলের প্রার্থী: ১৪ দলীয় জোটের বাইরেও ৪ প্রার্থী থাকছে হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ)। ওই পাঁচ প্রার্থী মশাল নিয়ে ভোটে থাকবেন। গতকাল ইসিতে পাঠানো চিঠিতে এ কথা জানিয়েছেন দলটির প্রধান হাসানুল হক ইনু। তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে শাহ জিকরুল আহমেদ, গাইবান্ধা-৩ আসনে এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি, রংপুর-২ আসনে কুমারেশ চন্দর রায় ও বরিশাল-৬ আসনে মো. মোহসীন। হাসানুল হক ইনু এই প্রার্থীদের মশাল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ইসির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

আরেক চিঠিতে ১৪ দলীয় জোটের হয়ে তার দলের ৩ প্রার্থীর অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইনু। তাদের জন্য নৌকা প্রতীক বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা হলেন কুষ্টিয়া-২ আসনে হাসানুল হক ইনু, ফেনী-১ আসনে শিরীন আখতার ও বগুড়া-৪ আসনে এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন।

শেষমুহূর্তে প্রার্থী বদলের নাটক: এক আসনে এরশাদ-হুদা-ফারুক-পার্থ ও মাহীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘটনাও ঘটে শেষ মুহূর্তে। এর মধ্যে ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ভাষানটেক, ক্যান্টনমেন্ট) আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন বিকল্পধারার প্রার্থী মাহী বি. চৌধুরী। তবে তিনি মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করবেন। মাহীর প্রত্যাহারের পরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হচ্ছে ঢাকা-১৭ আসনে। এই আসনে লড়ছেন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (লাঙ্গল প্রতীকে), তৃণমূল বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে দুইটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করেছে বিএনপি। চট্টগ্রাম-৮ আসনে সাবেক পররাষ্ট্রন্ত্রী এম মোরশেদ খানকে বাদ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলা বিএনপির নগর বিএনপির সভাপতি আবু সুফিয়ানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। শেরপুর-২ আসনে এ কে এম মোখলেছুর রহমান রিপনের বদলে সাবেক হুইপ প্রয়াত জাহিদ আলী চৌধুরীর ছেলে ফাহিম চৌধুরীকে দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত মনোনয়ন। গতকাল গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে এই দুইটি আসনে সুফিয়ান ও ফাহিমকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়।

ঐক্যের বলি হলেন খোকার ছেলে: ঢাকা-৬ আসনে ভোট করতে চাইলেও দলের সিদ্ধান্ত মেনে সরে দাঁড়িয়েছেন ওই আসনের এক সময়ের সংসদ সদস্য ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন। পুরান ঢাকার এই আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়েছে বিএনপির নতুন জোটসঙ্গী গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরীকে। গতকাল বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এসে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন খোকাপুত্র। তিনি বলেন, ‘আমি দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি। আমার বাবা সাদেক হোসেন খোকা ১৯৯১ সাল থেকে ২৭/২৮ বছর এই আসনটি ধরে রেখেছেন। আমি আমার ব্যক্তিস্বার্থকে বলি দিলাম।’




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: