সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৪১ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যা ছিল ইসিতে দেয়া বিএনপির ৫ চিঠিতে

নিউজ ডেস্ক:: নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বরাবর আলাদা পাঁচটি চিঠিতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পাশাপাশি বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে বিএনপি।বিএনপির দেয়া পাঁচটি চিঠিতে প্রশাসনে রদবদল, গণগ্রেপ্তার বন্ধ, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা বাতিলসহ বেশ কিছু দাবি রয়েছে।

এসব দাবি নিয়ে শনিবার বিকেলে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এসময় পুলিশ বিএনপির সাত প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে বলে ইসিকে জানিয়েছে দলটির প্রতিনিধিরা।

ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ নেই। দিন দিন পরিবেশের অবনতি ঘটছে। সরকার যেভাবে তাদের নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে এগিয়ে চলেছে নির্বাচন কমিশন তা রোধ করতে পারছে না।

বিএনপি দুটি বিষয়ের ওপর জোর দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশব্যাপী পুলিশি অভিযান চলছে। সব নির্বাচনী এলাকায় গণগ্রেপ্তার চলছে, প্রতি রাতে অভিযান চলছে। আমাদের নেতাকর্মী যাদের ওপর নির্ভর করে আমরা নির্বাচন করব, তারা কেউ বাড়িতে থাকতে পারছেন না।

আজ এর কোনো প্রতিকার নেই। এরই মধ্যে আমাদের সাতজন প্রার্থী যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মওদুদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের জামিন পাওয়াও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিচারিক আদালত এখন সরকারের নিয়ন্ত্রণে। খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ, আপনারা দেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত যেখানে তাকে জামিন দিয়েছেন কিন্তু বিচারিক আদালত তাকে নানা অজুহাতে আটকে রেখেছেন। আমরা এখনও তাকে মুক্ত করতে পারিনি।

আরেকটি বিষয়ের ওপর আমরা নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। তা হল- সরকারের সাজানো প্রশাসন। এই পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসনের ওপর নির্বাচন কমিশন নির্ভর করছে। কারণ নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কোনো কর্মকর্তা, প্রতিনিধি নেই। এ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রিটার্নিং অফিসার বা ডেপুটি কমিশনার- যিনি এ সরকারের একজন চাকুরে।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার তিনিও একজন ইউএনও, তিনি সরকারের একজন কর্মকর্তা। পুলিশ সুপার এবং থানার ওসি এ চার কর্মকর্তা কার অধীনে কাজ করেন, সরকারের অধীনে কাজ করেন। দেশে এখন একটি রাজনৈতিক সরকার বিদ্যমান, সব মন্ত্রীরা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছেন। ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারছেন, প্রভাবিত করতে পারছেন বিভিন্নভাবে। এমপিদের প্রভাব-ক্ষমতা, শক্তি-সামর্থ্য আছে, তার সব কিছুই ব্যবহার করতে পারছেন।

প্রায় ২ ঘণ্টার বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, কবিতা খানম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বিএনপির পক্ষে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান, বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: