সর্বশেষ আপডেট : ১০ ঘন্টা আগে
বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করবে ইবনে সিনা

নিউজ ডেস্ক:: দেশের তৃতীয় কোম্পানি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। কোম্পানির ১০টি ওষুধ দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (US Food and Drug Administration-US FDA) এ নিবন্ধিত হয়েছে। আগামী ২ থেকে তিন মাসের মধ্যে রপ্তানির প্রথম চালান যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম সদরুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, ইউএস এফডিএর অনুমোদন পাওয়া সবগুলো ওষুধই হচ্ছে ওটিসি (Over the counter-OTC) জাতীয় ওষুধ। কোম্পানিটি প্রেসক্রিপশন-ওষুধ রপ্তানিরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনুমোদন পেলে প্রথম দিকে অন্য কোনো কোম্পানির কারখানায় ওষুধ উৎপাদন করে সেগুলো রপ্তানি করা হবে। পরে কোম্পানির পরিকল্পনাধীন নতুন প্ল্যান্ট স্থাপন তা সরিয়ে নেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন প্ল্যান্ট স্থাপিত হলে সেখানে উৎপাদিত ওষুধই রপ্তানি করা হবে।

উল্লেখ, ওটিসি ওষুধ হচ্ছে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। এ ধরনের ওষুধ কেনার জন্য ক্রেতাকে কোনো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখাতে হয় না। অন্যদিকে প্রেসক্রিপশন-ওষুধ হচ্ছে, সেসব ওষুধ, যেগুলো বিক্রি করতে হলে অথবা কিনতে চাইলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্র বেশ জরুরি।

এর আগে ২০১৫ স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে। তাদের ওষুধ অবশ্য প্রেসক্রিপশন-ড্রাগ।এদিকে ২০১৭-১৮ হিসাববছরে ইবনে সিনার রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৫৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ সময়ে সামগ্রিকভাবে ওষুধ বিক্রিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ইবনে সিনা একটি নতুন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। সত্তর কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার মতে, ২০১৯ সালের শুরুর দিকে কোম্পানির নতুন প্ল্যান্ট চালু হবে। আর সেটি চালু হলে ৫০/৬০টি নতুন প্রোডাক্ট উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে কোম্পানিটি ভবিষ্যত সম্প্রসারণের বিষয়টি মাথায় রেখে গাজীপুরের মাওনায় ৫০ বিঘা জমি কিনেছে। সেখানে ইনজেকশন ও স্যালাইন উৎপাদন ইউনিট, অনকোলজি বা ক্যান্সারের ওষুধ উৎপাদনের ইউনিট, অফথালমোজি বা চোখের রোগের ওষুধ ইত্যাদি পণ্য উৎপাদন হবে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: