সর্বশেষ আপডেট : ২৮ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটে স্কুলছাত্র ইমন হত্যা: এবার সাক্ষ্য দিলেন দুই বিচারক

ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলায় এবার সাক্ষ্য দিলেন দুই বিচারক।  সোমবার সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজাউল করিমের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এরা হচ্ছেন, হবিগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শহীদুল আমিন ও সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহা। এর আগে একই আদালতের বিচারক মো. মকবুল আহসানের কাছে বাদির মানিত ২০ জন সাক্ষির মধ্যে ১৮ জনই সাক্ষ্য প্রদান করেন। আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জানিয়েছেন, বাদির মানিত সাক্ষির সাক্ষ্য গ্রহন শেষ হয়েছে। সোমবার থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য গ্রহন শুরু হয়েছে। দুইজন বিচারক সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখে ডাক্তার ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্য প্রদানের কথা রয়েছে।

সোমবার সাক্ষ্য প্রদানকালে বিচারক মোহাম্মদ শহীদুল আমিন উল্লেখ করেন, তিনি ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল সুনামগঞ্জে কর্মরত থাকাবস্থায় মামলার আসামী সুয়াইবুর রহমানের (মসজিদের ইমাম) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি গ্রহন করেন। আদালতে হাজিরকালে থাকে চিন্তাভাবনার জন্য ৩ ঘন্টা সময় দেন। প্রশ্নাবলী বুঝিয়ে দেওয়া হয়। চিন্তাভাবনার পর তাকে পূনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পূনরায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্ধি দেয়। এছাড়া সুনামগঞ্জের ছাতকে কর্মরত থাকাবস্থায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহা ২০১৫ সালের ১০ এপ্রিল সুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি গ্রহন করেছেন বলেও সাক্ষ্য দেন।
ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেনীর ছাত্র ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপনের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে। ৮ এপ্রিল মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতিরকান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতার করে জড়িতদের।

মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নির্দেশের পর সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি ট্রাইব্যুনালে উঠে। মধ্যখানে বিরতির পর গত ২ আগষ্ট থেকে আবার সাক্ষ্য গ্রহন শুরু করেন আদালত। – বিজ্ঞপ্তি




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: