সর্বশেষ আপডেট : ২৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তাহিরপুরে পুলিশের মামলায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ ১৭জন জেল হাজতে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জে তাহিরপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ করে ঝাড়–ঁ মিছিলের ঘটনায় প্রধান আসামী করা হয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুলকে। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান,সাধারন শ্রমিক ও অসহায় জনসাধানসহ ৫৪জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২৫জন রেখে মামলা মামলা করেছে পুলিশ। মামলা নং-২, তারিখ-০৫,১১,১৮,ধারা-১৯৭৪সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১৫(৩)/২৫ঘ ধারায়। এ ঘটনায় দুই মুক্তিযোদ্ধা সন্তান(জহুর আলম)সহ ১৭জনকে আটক করে সোমবার রাতে জেল হাজতে প্রেরন করেছে তাহিরপুর থানা পুলিশ।

এছাড়াও মামলায় আসামী করা হয়েছে(ইউএনও যে ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেনকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করা হয়)থাকে ও তার ছোট ভাইকে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ফলে জনমনে আতœংক সেই সাথে নিরীহ জনসাধারনকে মামলায় দিয়ে হয়রানী করায় ক্ষোবের সঞ্চার হচ্ছে। পুলিশী গ্রেফতার আতœংকে গাঁ ডাকা দিয়েছে আতœংক গ্রস্থরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসী,বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও আ,লীগের একাধিক নেতাকর্মীরা জানায়,শনিবার(০৩,১১,১৮)রাতে বৌলাই নদী সংলগ্ন অটো রাইস মিলের মাঠে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাথর ও বালু এনে রাখছিলেন। এসময় বেলায়েত হোসেনের অনুপস্থিতিতে তার শ্রমিকদের সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের শ্রমিকদের মধ্যে এনিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষুব্দ হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূর্ণেন্দু দেব রাইস মিলের মালিক বেলায়েত হোসেনকে ডেকে এনে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেন।

এই ঘটনা জানাজানি হলে,রবিবার সকাল ১১টায় বিক্ষুব্দ জনতার জাড়– মিছিল করে ইউএনওর অপসারন চেয়ে মিছিল করতে থাকে। মিছিলের সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে দ্রুত এসে উপস্থিত হন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল,তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর,উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি আলী মর্তুজা,তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন,উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক ও ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিনসহ এলাকার গন্যমান্যসহ অনেকেই। পরে তা সমাধান হয়েছিল শুনেছিলাম। আর ইউএনও সাহেব নিজের ভুলের জন্য ক্ষমাও চায়। আর তাহিরপুর থানার ওসি সাহেব নিজেও ইউএনও সাহেবের পক্ষে উপজেলা আ,লীগের সিনিয়র নেত্রীবৃন্ধের সামনে সবার কাছে বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবান জানান। আর তার একান্ত প্রচেষ্টায় সব সমাধান হয়। এরপরও কেন এই মামলা বুজতে পারছিনা। আমরা এখন আতœংকের মধ্যে আছি বাজারের আগের তুলনায় লোকজন কমে গেছে। ইউএনও সাহেবের মনে এই সাজানো পরিকল্পনা ছিল তাহলে আপোশে মিমাংসা করলেন কেন। তখনেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেন। এই ঘটনায় ত আরো জানাজানি হল। সম্মান ত আর বাড়ছে না বরং কমেছে।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নন্দন কান্তি ধর জানান,সরকারী বাসভবনে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগেই বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ১৭জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: