সর্বশেষ আপডেট : ৩৯ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটে দেশের তৃতীয় সরকারি চিড়িয়াখানার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে আজ

ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: সিলেট নগরীর টিলাগড় ইকো পার্কের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম আজ শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। এরই মধ্যে আনা হয়েছে দুটি জেব্রা, হরিণসহ ৯ প্রজাতির ৫৮টি প্রাণী। বছরের শেষ দিনে বাঘও নিয়ে আসা হবে এ কেন্দ্রে। বিকেল ৪টায় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। তবে, এতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নামমাত্র ফি পরিশোধ করতে হবে দর্শনার্থীদের। এটি দেশের তৃতীয় সরকারি চিড়িয়াখানা।

সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আর এস এম মনিরুল ইসলাম জানান, ‘আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর অক্টোবর থেকে জানুয়ারী পর্যন্ত (শীতকালীন সময়সূচি) সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা এবং ফেব্রুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এ সংরক্ষণ কেন্দ্র। তবে নামমাত্র ফি পরিশোধ করতে হবে তাদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে দু’টি জেব্রাসহ ৯ প্রজাতির প্রাণী সিলেটের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে আনা হয়। এর মধ্যে ২টি হরিণ, ১২টি ময়ূর, ৪টি আফ্রিকান গ্রে পেরট, ১টি গোল্ডেন ফিজেন্ট পাখি, ৩টি সিলভার ফিজেন্ট পাখি, ৩টি ম্যাকাও পাখি, ৪টি সান কানিউর, ১টি অজগর ও ৩০টি ছোট লাভ বার্ডও রয়েছে। আগামী সপ্তাহে এর সাথে সংযুক্ত হবে আরও দু’টি হরিণ। ডিসেম্বরে এখানে বাঘও নিয়ে আসা হবে।’

তিনি জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র চালুর মূল লক্ষ্য হচ্ছে দু’টি। প্রথমত; এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা চিত্ত বিনোদনের সুযোগ পাবেন। দ্বিতীয়ত, সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অনেক সময় নানা কারণে অনেক বন্যপ্রাণী আহত হয়। তাদের চিকিৎসা দেয়াও এটি প্রতিষ্ঠার আরেকটি লক্ষ্য। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লোকবলের অভাবে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘদিন পরও এখানে প্রাণী আনা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই চিড়িয়াখানায় আগামীতে সিংহ, শ্লথবিয়ার, হনুমান, বেজী, বনরুই, বাঘদাস, বনবিড়াল, শিয়াল, খেকশিয়াল, গন্ডার, এশীয় হাতি, পরিযায়ী পাখি, জলজ পাখি, বনছাগল, বিভিন্ন প্রজাতির বানর, কালো ভাল্লুক, মিঠা পানির কুমির, নীল গাই, জলহস্তী ইত্যাদি প্রাণী আনার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশীয় জীবজন্তুর আশ্রয়স্থল হিসেবে হলেও এখানে নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরব থেকে বেশির ভাগ প্রাণী নিয়ে আসা হবে।

এ প্রকল্পের জন্য ৪০ প্রজাতির প্রায় সোয়া চারশ’ প্রাণী কেনা হবে, যার মধ্যে দু’শ প্রাণীই থাকবে বিরল ও নতুন প্রাণী। এছাড়া, এখানে প্রাণীদের স্বাস্থ্য ও নানা ধরণের সেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি থেকে চিকিৎসা ও খাদ্যের মান পরীক্ষার জন্য আধুনিকমানের উপকরণ কেনা হবে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: