সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মাথায় বল লেগে হাসপাতালে লঙ্কান ক্রিকেটার, আতঙ্কিত বাটলার

স্পোর্টস ডেস্ক:: ইংল্যান্ড আর শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের প্রস্তুতি ম্যাচ চলছিল। এ সময়ই ঘটে ভয়ংকর ঘটনাটি। ইংলিশ ব্যাটসম্যান জস বাটলারের সজোরে হাঁকানো বলটি সরাসরি এসে আঘাত করে ২০ বছর বয়সী লঙ্কান তরুণ মাথুম নিশাঙ্কার মাথায়। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে পড়ে যান নিশাঙ্কা, মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ না হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

ক্রিকেট মাঠে মাথায় বলের আঘাত লেগে মৃত্যুর ঘটনা একেবারে বিরল নয়। স্বভাবতই ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন বাটলার। তার ব্যাটিংয়েই যে বলটা ওত জোরে লেগেছিল শর্ট লেগে দাঁড়ানো নিশাঙ্কার মাথায়। ইংলিশ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের অনেকটা সময় কেটেছে আতঙ্কে, কোনো দুঃসংবাদ আসবে না তো!

শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্বস্তির খবরই এসেছে। হাসপাতালে এমআরআই স্ক্যান করার পর খারাপ কিছু ধরা পড়েনি নিশাঙ্কার। লঙ্কান তরুণ এখনও অবশ্য হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাননি। ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে আরও কিছুটা সময়। তবে ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

ডাক্তাররা হয়তো এখন ভয়টা কাটিয়েছেন। তবে ওই পরিস্থিতিতে ভয় ঠিকই মনের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল বাটলারের। ইংলিশ ব্যাটসম্যান তার ওই সময়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয়, আপনি সবসময় খারাপ কিছুই ভাববেন (এমন পরিস্থিতিতে)।’

বলটা বেশ জোরেই মেরেছিলেন জানিয়ে বাটলার বলেন, ‘আমি খুব জোরে হিট করেছিলাম। হিটটা করেছিলাম খুব কাছে থেকে। তাই এটা অবশ্যই বড় দুশ্চিন্তার কারণ ছিল। যখন সে চলে গেল, আপনি তার জন্য কেবল ভালো কিছুই আশা করতে পারতেন। ডাক্তার এবং ফিজিও মাঠে এসে তাকে অনেক শুশ্রুষা করেছে। এটা বাজে একটা দুর্ঘটনা। তবে আমি শুনেছি সে ভালো আছে। খবরটা শুনে ভালো লাগছে।’




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: