সর্বশেষ আপডেট : ৪৯ মিনিট ১২ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিউইয়র্কে সৌদি দুই বোন খুন, দানা বাঁধছে রহস্য!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: নিউইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে সৌদি আরবের নাগরিক দুই বোনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন পুলিশ। টেপ দিয়ে পেচানো পরস্পরের দিকে মুখ করে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় সৌদির এ দুই নাগরিকের মরদেহ।

নিউইয়র্কে নিযুক্ত সৌদি কনস্যুলেট থেকে টেলিফোন করে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এই নির্দেশের একদিন পর বুধবার তাদের মরহেদ উদ্ধারের ঘটনা ঘিরে দানা বাঁধছে রহস্য। নিউইয়র্ক পুলিশ বলছে, তালা ফারিয়া (১৬) ও রত্না ফারিয়ার (২২) মরদেহে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

তদন্তকারীরা বলেছেন, তারা আত্মহত্যা করেছেন না-কি অন্য কোনো অপরাধের কারণে হত্যার শিকার হয়েছেন সেব্যাপারে এখনই মন্তব্য করাটা একটু তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। তবে সম্প্রতি ওই কিশোরী যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য বলছে, ২০১৫ সালে সৌদি আরব থেকে ফারিয়া ও তার বোন মাকে নিয়ে ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সে আসেন। অতীতে বাড়ি থেকে পালানোর রেকর্ড রয়েছে তাদের। কিন্তু তদন্তকারীরা বলছেন, বাড়ি থেকে ৪০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে হাডসন নদীর তীরে তাদের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ‘ধাঁধা’ তৈরি হয়েছে।

নিউইয়র্কে নিযুক্ত সৌদি কনস্যুলেট জেনারেলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দূতাবাসের কর্মকর্তারা নিহত দুই কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। নিহত দুই বোন তাদের ভাইয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনে পড়াশোনা করতেন।

নিউইয়র্ক পুলিশের বরাত দিয়ে মার্কিন বার্তাসংস্থা এসোসিয়েট প্রেস (এপি) বলছে, ওই দুই তরুণী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ায় মরদেহ উদ্ধারের আগের দিন সৌদি কনস্যুলেট থেকে তাদের মাকে টেলিফোন করা হয়েছিল। দূতাবাসের ওই টেলিফোনে সৌদি এই পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

গত সপ্তাহে কালো লেগিংস ও কালো জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় হাডসন নদীর তীরে একটি পার্কে ওই দুই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মুখোমুখি অবস্থায় তাদের কোমড় ও পায়ের গোড়ালির কাছে টেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ প্রথমের দিকে এই দুই কিশোরী জর্জ ওয়াশিংটন সেতু থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করেছিল। কিন্তু তাদের শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন না পাওয়ায় সেই ধারণা বাতিল করে দেয়া হয়।

দুই বোনের স্কেচ প্রকাশের পর পুলিশ তাদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয় গত শুক্রবার। নিউইয়র্কের মেট্রো এলাকায় এ দুই কিশোরীর গত দুই মাসের জীবন-যাপন সম্পর্কে জানতে জনগণের সহায়তা চেয়েছে পুলিশ। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্ক সিটি গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান বলেছেন, দুই বোনের অতীত সম্পর্কে তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। তদন্তকারীরা এ সঙ্কট কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান দেরমত শিয়া বলেছেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আসলে কি ঘটেছিল সে ব্যাপারে তদন্ত শেষে আমরা পরিষ্কার একটা ধারণা পাবো।

সূত্র : বিবিসি




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: