সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘মা, তোমার ছোট ছেলেকে মেরে দিলাম’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বরাবরের মত সেদিন রাতেও নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ইতু বাগচি। অন্যঘরে দুই ছেলে। মাঝরাতে দরজায় ধাক্কাধাক্কির শব্দে ঘুম ভেঙে যায় মায়ের। ধড়ফড়িয়ে উঠে দরজা খুলে দেখেন বড় ছেলে দাঁড়িয়ে। সে বলে, ‘মা, তোমার ছোট ছেলেকে মেরে দিলাম।’

ঘুম চোখে ইতু বাগচি কিছু বুঝে উঠার আগেই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান বড় ছেলে।মা ছুটে যান ছেলেদের ঘরে। দেখেন,রক্তাক্ত অবস্থায় খাটে পড়ে আছে ছোট ছেলে তারণ বাগচি।তারা মাথা-মুখ-কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে।তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অল্প সময় পরেই মারা যান তারণ বাগচি।

সোমবার কলকাতার বনগাঁ পৌরসভার সাতভাই কালীতলা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে নিহত তারণ বাগচির বড় ভাই বেঞ্জামিনকে।মা ইতু বলছেন, তার বড় ছেলেই খুন করেছে তারণকে। তিনি ছেলে বেঞ্জামিনের শাস্তিও চেয়েছেন।

পরিবারের দাবি, ডাইনিং টেবিলের ভাঙা কাঠের পায়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়েছে তারণকে। বেঞ্জামিন কয়েক বছর আগে মাকেও ধারাল অস্ত্র পেটে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। দীর্ঘ দিন চিকিৎসার পরে সুস্থ হন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। তবে মা ইতু জানান, তার বড় ছেলে নেশা করে এবং নেশার টাকার জন্য প্রায়ই বাড়িতে অশান্তি করতেন।

ইতুর দুই ছেলে, এক মেয়ে। ছোট ছেলে তারণ বনগাঁ দীনবন্ধু কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনীতে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আগামী ১২ নভেম্বর ছিল তার পরীক্ষা। এজন্য রাত জেগে পড়তেন। সকালে মাঠে দৌড়োতেন।

ইতু বলেন, ‘সোমবার রাত ২টা পর্যন্ত পড়াশোনা করছিল ছেলে। আমি জোর করে ওকে ঘুম পাড়িয়ে নিজে শুতে যাই। তারপর ওকে খুন করে বেঞ্জামিন।’

সূত্র: আনন্দবাজার




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: