সর্বশেষ আপডেট : ৩২ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘সাত দফা তৃতীয় শক্তিকে সুযোগ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র’

নিউজ ডেস্ক:: ‘ড. কামাল হোসেন, মির্জা ফখরুল সাহেবদের সাত দফা দাবি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করে তৃতীয় শক্তিকে সুযোগ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র’ বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, গণতন্ত্র হত্যাকারী ও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী অপশক্তিদের নিয়ে গঠিত ঐক্যফ্রন্টের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও দেশবাসী’ শীর্ষক সমাবেশ ও মানববন্ধনে তিনি এমন অভিযোগ করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, তাদের এই দাবির মূল কথা হচ্ছে সংসদ বাতিল করতে হবে। সংসদ বাতিল করলে বাংলাদেশে একটি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে, এতে অপশক্তি কিংবা তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটার একটা সুযোগ তৈরি হবে। সুতরাং তারা নির্বাচন চায় না। তারা দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে তৃতীয় শক্তিকে সুযোগ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে।

ড. কামাল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, কথায় কথায় বলেন উনি সংবিধানের প্রণেতা। প্রকৃতপক্ষে ৩৪ সদস্যবিশিস্ট কমিটির একজন হিসেবে তিনি কাজ করেছিলেন। আর তিনি আজকে সংবিধানবহির্ভূত কথা বলছেন।

‘ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যের আহ্বায়ক নয়, তিনি এখন বিএনপির প্রকৃত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন’ বলেও মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন প্রকৃতপক্ষে জাতীয় ঐক্যের নামে তারেক রহমান আর খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন। আজকে এটিই হচ্ছে বাস্তবতা।

ড. কামাল হোসেনদের সংলাপ প্রসংঙ্গে তিনি বলেন, যারা মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেছে, যারা একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা পরিচালনা করেছে, যারা মিথ্যা জন্মদিন পালন করে, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ কোনোভাবেই হবে না। এই সংলাপের কোনো ভিত্তি নেই এবং এই সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই। সুতরাং সংলাপ যদি দরকার হয় এবং তারা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায়, সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে তারা কথা বলতে পারে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, সরকার নির্বাচন পরিচালনা করে না। নির্বাচনের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেই সরকার থাকবে সেই সরকার শুধু রুটিন কাজ পরিচালনা করবে এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থানার একজন এসআইকে ট্রান্সফার করার ক্ষমতাও থাকবে না সরকারের। সুতরাং আপনাদের যদি কোনো আলাপ-আলোচনা থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেন। আওয়ামী লীগকে চিঠি দেয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এসব চিঠি দিয়ে আপনারা জনগণকে ধোঁকা দিতে চাচ্ছেন।

বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যের নেতাদের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ছয় কিংবা সাত সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুতরাং নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র পরিহার করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেন।

আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্রনায়িকা ফারহানা আমিন নতুনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: