সর্বশেষ আপডেট : ১৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভারতে গরুর জন্য আধার কার্ড!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারত সরকার নাগরিকদের জন্য প্রদান করেছে ভোটার পরিচয়পত্র।পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে ১৮ বছর ও তার ঊর্ধ্বের নাগরিকদের।এরপর সব বয়সী নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে রাখার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যেক নাগরিককে আধার কার্ড প্রদান করেছে।

এবার ভারত সরকার প্রাণিকুলের হিসাব রাখার উদ্যোগ নিয়েছে।এ জন্য প্রথম পর্যায়ে গরুর জন্য চালু করছে ডিজিটাল পদ্ধতির কার্ড বা ট্যাগ। এটি লাগানো হবে প্রতিটি গরুর কানে। এতে দেশের সব গরুর হিসাব রাখা যাবে।

উদ্যোগটিকে অনেকেই গরুর আধার কার্ড প্রদানের একটি প্রকল্প হিসেবে অভিহিত করছেন। তবে ভারত সরকার তেমনটা বলতে নারাজ। তারা বলছে, প্রথম পর্যায়ে দেশের সব গরুর হিসাব রাখার জন্য বার কোডসহ একটি ট্যাগ দেওয়া হবে। এই ট্যাগ গরুর কানে লাগানো হবে। আগে গরুর হিসাব রাখার জন্য ট্যাগ লাগানো হলেও তা ডিজিটাল পদ্ধতির ছিল না। এবার এই ট্যাগকে সর্বাধুনিক করে তা নতুনভাবে দেওয়া হচ্ছে। তাই একে অনেকে গরুর আধার কার্ড হিসেবে প্রচার করছেন।মোদি সরকারের এই উদ্যোগকে গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও। তারা গরুকে বার কোডযুক্ত ট্যাগ লাগাতে উদ্যোগী হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাণী বিকাশ মন্ত্রণালের এক কর্মকর্তা বলেছেন, গরুর আধার কার্ড বলে যা প্রচার করা হচ্ছে, বিষয়টি আসলে তা নয়। কৃত্রিম প্রজননের জন্য যেসব গরু চিহ্নিত করা হয়, তাদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে এই ট্যাগ। তাই এ নিয়ে দেশব্যাপী এত হইচই।কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, কৃত্রিম প্রজননের পর গরুর কান ফুটিয়ে লাগানো হচ্ছে এই ডিজিটাল ট্যাগ।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর বলছে, রাজ্যে ছয় হাজারের বেশি গো-প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে।এখানেই পালকেরা গরু নিয়ে আসেন প্রজননের জন্য। এই কাজে নিয়োজিত রয়েছেন রাজ্যের ৩৪৪টি ইউনিয়নে ৩ হাজার ৫৩৬ জন কর্মী বা প্রাণী-বন্ধু। তাঁরাই গরুর প্রজননকাজে সহায়তা করছেন।

পশ্চিমবঙ্গে ২০১৬-১৭ সালে কৃত্রিম প্রজনন হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ১৪৮টি গরুর। বাচ্চা হয় ৭০ হাজার ২১১টি গরুর।দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কৃত্রিম প্রজননের পর গরুর কানে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বার কোডযুক্ত একটি কার্ড বা ট্যাগ। এই বার কোডের মাধ্যমে ওই গরুর সার্বিক তথ্য চলে যাচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সার্ভারে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, আগে কৃত্রিম প্রজনন সেভাবে ফলোআপ হতো না। এখন বার কোড দিয়ে চিহ্নিতকরণের ফলে ফলোআপ সম্ভব হচ্ছে। আগে রং বা শিং দেখে গরু চেনা হতো। এখন চেনা হচ্ছে বার কোডে দেওয়া নম্বর থেকে। ফলে এখন দেশে কত গরু আছে, তা জানা সম্ভব হচ্ছে। দুধের উৎপাদন কত, তাও জানা যাচ্ছে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: