সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পরীক্ষা-নিরীক্ষায় খারাপ কিছুই ধরা পড়েনি খালেদার

নিউজ ডেস্ক:: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানসহ সব রিপোর্ট মেডিকেল বোর্ড সদস্যদের হাতে এসেছে। খালেদা জিয়ার শরীরে যক্ষ্মার জীবাণু ধরা পড়েনি। বিষয়টি নিশ্চিত হতে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের পরামর্শে বিএসএমএমইউতে খালেদার বুকের (লাং) সিটিস্ক্যান ও মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) তে পরীক্ষার নমুনা পাঠানো হয়।

মেডিকেল বোর্ডের একাধিক সদস্য জানান, বিএসএমএমইউ’র সিটিস্ক্যান ও আইসিডিডিআর, বির নমুনা রিপোর্টে খারাপ কিছুই ধরা পড়েনি। তবে তিনি রিওমেটিক আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত। এ ধরনের রোগীদের লাং এ এক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজ (আইএলডি) বলা হয়।

রিওমেটিক আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় উন্নত প্রযুক্তির ওষুধ ও ইনজেকশন দেয়ার আগে আইএলডিতে আক্রান্ত কি-না সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল। তাই সিটিস্ক্যান করা হয়। এছাড়া উনার (খালেদা জিয়ার) শরীরে যক্ষ্মার জীবাণু আছে কি-না সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আইসিডিডিআর, বিতে নমুনা পাঠানো হয়। পরীক্ষায় আইএলডি ও যক্ষ্মার জীবাণুর অস্তিত্ব ধরা না পড়ায় এখন তারা উন্নত প্রযুক্তির ওষুধ ও ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন। তবে যে চিকিৎসায় দেয়া হোক উনি রাজি হলেই তবেই চিকিৎসা দেয়া হবে বলে জানান ওই চিকিৎসক।

রিওমেটিক আর্থ্রাইটিস সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কী ধরনের উন্নতমানের চিকিৎসা দেয়া হবে জানতে চাইলে আরেক চিকিৎসক জানান, বায়োলজিক এজেন্ট (এটি একটি গ্রুপের নাম যে গ্রুপের বিভিন্ন নামে অনেক এন্টিবায়োটিক ওষুধ ও ইনজেকশন রয়েছে) এর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হবে। বেগম খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি ইনজেকশন দিতে হবে। এগুলো উন্নত দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং নিরাপদ ওষুধ হিসেবে প্রমাণিত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উচ্চ আদালতের নির্দেশে গত ৬ অক্টোবর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আনা হয়। বর্তমানে তিনি ৬১২ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন। পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে। তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও স্পেসিফিক উন্নত চিকিৎসা শুরুই হয়নি বলে মন্তব্য করে আসছিলেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্টের বিষয়ে জানতে চাইলে মেডিকেল বোর্ড প্রধান বিএসএমএমইউ’র ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আবদুল জলিল চৌধুরী বলেন, তারা সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন। এখন বোর্ডের সবাই বসে কী ধরনের চিকিৎসা দেয়া হবে তা ঠিক করবেন। যে চিকিৎসাই দেয়া হউক বেগম খালেদা জিয়ার সম্মতি সাপেক্ষে করা হবে।

তবে খালেদা জিয়ার রিপোর্টে কী রয়েছে সে সম্পর্কে কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: