সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যৌন হেনস্তার জের : বিসিসিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

স্পোর্টস ডেস্ক :: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে মি টু ঝড়ে এখন তোলপাড় ভারতের সেলিব্রিটি পাড়া। বলিউডের নামকরা ব্যক্তিদের পাশাপাশি ক্রিকেটাঙ্গনের অনেক রথি-মহারথির বিপক্ষেই উঠছে যৌন হেনস্তার অভিযোগ। তবে সবচেয়ে বেশি তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইর প্রধান নির্বাহী রাহুল জোহরির বিপক্ষে ওঠা অভিযোগ নিয়ে।

বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আগে থেকেই এ ব্যাপারে রাহুল জোহরির কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। যে কারণে জোহরিকে আইসিসির নির্বাহী কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে দেয়া হয়নি। জবাব দেয়ার জন্য তাকে ছুটি পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। এবার তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তৈরি করা কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স (সিওএ)।

#মি টু আন্দোলন শুরু হওয়ার পরেই লেখিকা হরনিধ কৌর নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারীর অভিযোগ তার টুইটারে তুলে ধরেছিলেন। সেই নারী অভিযোগ করেন, নতুন চাকরি নিয়ে কথা বলার জন্য তাকে গুরুগ্রামে নিজের বাড়িতে গিয়েছিলেন জোহরি। ওই বিসিসিআইয়ের বর্তমান প্রধান নির্বাহীর স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। সে সুযোগে সেখানেই যৌন হেনস্থা করা হয় তাকে। যদিও তখন রাহুল জোহরি বিসিসিআইয়ের সঙ্গে ছিলেন না। কর্মরত ছিলেন একটি টিভি চ্যানেলে।

মি টু হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযোগ প্রকাশ হওয়ার পরই তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স জোহরির কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে। জবাব দেয়ার জন্য তিনি ১৪ দিন সময় চেয়েছিলেন। জানান, আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে চান। বৃহস্পতিবার বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০ অক্টোবর জবাব জমা দিয়েছেন জোহরি। যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

জোহরি জবাব দেওয়ার পরই ২০ ও ২২ অক্টোবর আলোচনায় বসেছিল বিসিসিআইর কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স (সিওএ)। ওই বৈঠকে জোহরির বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হেনস্তার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একটি নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিওএ’র অন্যতম সদস্য ডায়না এডুলজি মনে করেন, এ রকম একটি অভিযোগ ওঠার পরে বিসিসিআইর স্বার্থেই জোহরির পদত্যাগ করা উচিত ছিল; কিন্তু সিওএ চেয়ারম্যান মনে করেন, যেহেতু অভিযোগ এসেছে এক অজ্ঞাতপরিচয়ের কাছ থেকে, তাই আগে সব খতিয়ে দেখা উচিত। এছাড়া যে সময়ে যৌন হেনস্থার কথা বলা হয়েছে, তা জোহরির বিসিসিআইর প্রধান নির্বাহী পদে পদে যোগ দেওয়ার অনেক আগের কথা।

জোহরিকে নিয়ে সিওএ চেয়ারম্যান বিনোদ রাই এবং ডায়না এডুলজির মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়। এডুলজি মনে করেন, জোহরিকে সরানোর যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তিনি সিওএ চেয়ারম্যানকে আরও জানান, জোহরির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে কাজ চালিয়ে যেতে দেওয়া হলে তিনি অ্যামিকাস কিউরি গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।

এসব মতপ্রার্থক্যের এরপরই আইনজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কমিটি গড়া হয়েছে। যে কমিটিতে আছেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি রাকেশ শর্মা। তিনি কমিটির চেয়ারম্যান। এছাড়া কমিটির অন্য দুই সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বরখা সিংহ ও সাবেক সিবিআই ডিরেক্টর পি সি শর্মাকে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: