সর্বশেষ আপডেট : ৫৯ মিনিট ৫১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখার মাধবছড়ায় কালভার্ট নির্মাণ সুবিধার চেয়ে দুর্ভোগ বৃদ্ধির আশংকা

বড়লেখা প্রতিনিধি:: বড়লেখা উপজেলার মাধব ছড়ার সুজানগর ইউনিয়নের সালদিগা এলাকায় সরকারের গৃহীত ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মাত্র সাড়ে ৭ মিটার দৈর্ঘ্যরে কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় কয়েক পরিবারের চলাচলের সুবিধার পরিবর্তে উজানের কয়েকটি গ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধির আশংকা দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার শতাধিক এলাকাবাসী মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে এ অপরিকল্পিত সরু কালভার্ট নির্মাণ পরিবর্তন করে নদী পরিকল্পনার আওতায় সঠিক চওড়ায় একটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য আবেদন করেছেন।

জানা গেছে, পাথারিয়া পাহাড় থেকে উৎপত্তি হওয়া মাধবছড়া (নদী) উপজেলার দক্ষিণভাগ ও সুজানগর ইউনিয়নের একাংশ দিয়ে প্রবাহিত। সরকারী রেকর্ডভুক্ত এ ছড়াটি কোথাও ৫০ মিটার পর্যন্ত চওড়া হলেও অধিকাংশ স্থান ইতিমধ্যে ভরাট ও জবর দখল হওয়ায় প্রতি বছর পানি প্রবাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। গ্রীষ্ম ও বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাষিত না হওয়ায় দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তলিয়ে যায় কৃষকের ব্যাপক ফসলি জমি। চলিত বছরের ১০ মে ‘গ্রামীণ রাস্তায় কম-বেশী ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতু/কালভার্ট নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর মাধবছড়ার সালদিগা-বড়থল গ্রামের সংযোগ রাস্তায় পূর্ব সালদিগা জামে মসজিদের সামনে বসির আলীর বাড়ীর নিকটে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে একটি কালভার্ট নির্মাণের টেন্ডার আহবান করে। নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স নিপা সুপার এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। মাধবছড়ার ওপর কালভার্ট নির্মাণের খবরে এলাকাবাসী খুশী হলেও এর দৈর্ঘ্য ১৫ মিটারের পরিবর্তে মাত্র সাড়ে ৭ মিটার জানার পর অপরিকল্পিত এ কালভার্ট নির্মাণে কাজ বন্ধ অথবা স্থান পরিবর্তন করে সঠিক মাপের কালভার্ট নির্মাণের দাবীতে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে আবেদন করেছেন। সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী জানান, মাধবছড়ার উভয় তীর বেশিরভাগ দখল হয়ে গেছে। ছড়ার বে-দখলীয় ভুমি ছেড়ে দিয়ে ছোট আকারের কালভার্ট নির্মাণের ফলে একদিকে পানি নিষ্কাষনে ব্যাঘাত ঘটে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে জবর দখলীয় ভুমি কখনও উদ্ধার করা সম্ভব হবে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সুহেল মাহমুদ জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে নিয়ে সরেজমিনে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এতদসংক্রান্ত কমিটি নিয়ে আলোচনা সাপেক্ষে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: