সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

খাশোগি হত্যা বনাম সৌদি যুবরাজের কালো অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সালমান,সংক্ষেপে এমবিএস।কেননা অনেকের ধারণা,তার নির্দেশেই খুন হয়েছেন ওই সাংবাদিক।২০১৫ সালে প্রতিদ্বন্দ্বীদের হটিয়ে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাবার পর থেকেই আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রচারণা পেয়ে চলেছেন ৩৩ বছর বয়সী যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান।বিশেষ করে তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারগুলো নিয়ে ফলাও করে সংবাদ প্রচার করেছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম।

গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন।তার দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে সিবিএসের ‘৬০ মিনিটস’প্রোগ্রামে।তার ওপর বিশেষ সংবাদ প্রচার করেছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গ।এসব খবর ও সাক্ষাৎকারে যুবরাজ সালমানের শুধু প্রশংসা আর সাফল্যের কথাই উঠে এসেছে।

কিন্তু খাশোগির ঘটনায় সালমানের অন্ধকার দিকটাও এবার উন্মোচিত হলো। যেমন বিভিন্ন সমালোচক ও মানবাধিকার কর্মীদের বন্দি করা, ইয়েমেনে সৌদি হামলায় হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়া এবং তিনি ক্ষমতায় আসার পর সাম্প্রতিক সময়ে সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।

ইয়েমেনে বিমান হামলা
২০১৫ সাল থেকে প্রতিবেশী দেশ ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করেছে সৌদি আরব। গত ৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট সৌদি-আরব আমিরাত জোট হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ১৬ হাজার বার বিমান হামলা চালিয়েছে। মাসবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, সৌদি হামলায় ইয়েমেনে হাসপাতাল ও স্কুলসহ সেখানকার বেসমারিক স্থাপণাগুলো ধ্বংস করছে সৌদি জোট।

এছাড়া ওইসব হামলায় নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ হাজারের বেশি মানুষ। আহত হয়েছে আরো হাজার হাজার মানুষ। গৃহহীন হয়েছে আরো লক্ষ লক্ষ মানুষ।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা
গত বছরের নভেম্বরে রিয়াদ সফরে গিয়েছিলেন লেবাননের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি।তারপরই শুরু হয় নাটক।প্রথমে বন্ধ হয় তার সেলফোন।এরপর তাকে আটকে রাখার খবর পাওয়া যায়।এ নিয়ে সৌদি আরব ও লেবানন সরকারের মধ্যে বাক বিতণ্ডা চরমে পৌঁছায়।শেষে সৌদি আরবের সরকারি টিভি চ্যানেলে উদয় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেন হারিরি।তবে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন প্রেসিডেন্ট মাইকেল আওন।কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সাদ ইরান ও হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন,তারাই লেবাননকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে।পরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর হস্তক্ষেপে দু সপ্তাহ পর সৌদি থেকে বৈরুতে ফেরেন ৪৭ বছরের হারিরি।

নারী অধিকার কর্মীদের আটক
এ বছরের গোড়ার দিকে সৌদি নারীদের প্রথমবারের মত গাড়ি চালনার অনুমতি দিয়ে দেশে বিদেশে সুনাম কুড়ান যুবরাজ এমবিএস।তার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপের কারণে এ সংক্রান্ত পুরনো আইন বদলাতে বাধ্য হয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। ১৯৯০ দশক থেকে গাড়ি চালানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন সে দেশের নারীরা।

নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার দেয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে একাধিক অধিকারকর্মীকে (অধিকাংশই নারী) আটক করা হয়।এই ঘটনার সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউমেন রাইটস ওয়াচ বলেছে, এই ঘটনায় প্রমাণিত হয় যে,সৌদি যুবরাজ নিজের সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না।

সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক পরিচালক লেহ হোয়াইটসন বলেন, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘সংস্কার অভিযান’ নিয়ে এক ধরনের উন্মত্ততা তৈরি হয়েছে। তিনি আসলে সৌদি সংস্কারবাদিীদের ভয় পান। যে কারণে তিনি প্রকাশ্যে মানবাধিকার বা নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে প্রচারণা চালাতে দিতে চান না। এটা এখন স্পষ্ট যে, তার সামলোচনা করলে যে কাউকে তিনি জেলে ভরবেন।

ওই নারী অধিকার কর্মীরা এখনও কারাবন্দি রয়েছেন।তবে ব্লুমবার্গকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিন সালমান জানান, যারা নারী অধিকারের কথা বলেন তাদের আটক করা হয়নি। তার অভিযোগ, যাদের আটক করা হয়েছে তারা বিদেশি (কাতার ও ইরান) গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মদদে সৌদি আরবের ক্ষতি করার চেষ্টা করছিল।’

কানাডা-সৌদি কূটনৈতিক টানাপোড়েন
সৌদি নারী অধিকার কর্মীদের আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত আগস্টে কানাডার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে রিয়াদ। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ওইসব কর্মীদের মুক্তি দাবি করায় ক্ষেপে যায় সৌদি।তারা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সৌদি আরবের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিযোগ করে কানাডার রাষ্ট্রদূতকে রিয়াদ থেকে বহিষ্কার করে।একই সঙ্গে নর্থ আমেরিকার এই দেশটির সঙ্গে সকল ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন স্থগিত করে এবং কানাডায় অবস্থানকারী সকল সৌদি শিক্ষার্থীদের দেশে ফেরারও নির্দেশ দেয়।এ ঘটনার জন্য কানাডাকে ক্ষমা চাইতে বলেছিল সৌদি। কিন্তু এতে রাজি হয়নি কানাডা।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে হারিরির ঘটনায় লেবাননের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে সৌদি হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমান গাব্রিয়েল। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ ১০ মাস ধরে বিচ্ছিন্ন ছিল এই দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ। বার্লিন থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল সৌদি কূটনীতিককে। রিয়াদে জার্মানির রাষ্ট্রদূতকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের শায়েস্তা
কেবল মানবাধিকার কর্মী নয়, বিভিন্ন সময়ে এমবিএসের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বহু সৌদি। ২০১৭ সালে দুর্নীতির অভিযোগে দেশের কয়েকশ’ধনী ব্যক্তিকে আটক করেন যুবরাজ। এসব লোকজনকে আটকে রাখা হয়েছিল রিৎস-কার্লটন হোটেলে। সৌদি প্রিন্স, মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীদের ভিড়ে তখন কয়েদখানায় পরিণত হয়েছিল রিয়াদের এই পাঁচ তারা হোটেলটি। জানুয়ারি মাস পর্যন্ত হোটেলটিতে কোনও অতিথি রাখা হয়নি। সেখানে কয়েক সপ্তাহ ধরে আটকে থাকা বন্দিদের ওপর নানা রকম নির্যাতন চালানো হয়েছিল। পরে অবশ্য মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে মুক্তি পান ওইসব ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

এ ঘটনায় বিশ্ব জুড়ে সমালোচিত হয়েছিলেন যুবরাজ এমবিএস। তার দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের এ দাবি ধোপে টিকেনি। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘তার যদি দুর্নীতি দমনের উদ্দেশ্য থাকত তবে তিনি মামলা করতেন। এভাবে প্রভাবশালীদের গণগ্রেপ্তার করতেন না।’

কাতার সঙ্কটের পিছনেও যুবরাজ
গত বছরের ৫ জুন সৌদি অঅরবসহ চারটি দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে উপসাগরীয় এই দেশটির ওপর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয়। সৌদি আরব কাতারের সঙ্গে তাদের স্থল সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে বিমান ও নৌ যোগাযোগ বন্ধ করে কাতারকে পুরোপুরি একঘরে করে দেয়া হয়। এর পিছনে রয়েছে কাতারের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সৌদি যুবরাজের ব্যক্তিগত দ্বন্ধ। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে কাতারের ওপর আরোপিত ওই অর্থনৈতিক অবরোধ বহাল রয়েছে।

বেড়েছে মৃত্যুদণ্ড
গত এক বছরে সৌদিতে একাধিক সামাজিক সংস্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন এমবিএস। দেশটিতে প্রথমবারের মত সিনেমা হল চালু হয়েছে।সেখানে প্রথমবারে মত মিউজিক কনসার্ট হয়েছে যেখানে অনেক নারী দর্শকরাও উপস্থিতি ছিলেন।সবমিলিয়ে সৌদি সমাজের আধুনিকায়নে সৌদি যুবরাজের বেশ কিছু পদক্ষেপ বিশ্ব জুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।

ওই একই সময়ে বিশেষ করে যুবরাজ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর সৌদিতে মত্যুদণ্ডের ঘটনাও কিন্তু বেড়েছে। সৌদি আরব হচ্ছে বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে এখনও শিরশ্ছেদের মত আদিম উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়ে থাকে। গত এক দশক ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিক দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে তালিকায় অবস্থান সৌদির।

সাম্প্রতি বছরগুলোতে বিশেষ করে যুবরাজ দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা রিপ্রাইভ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।চলতি বছরের মার্চে এক প্রতিবেদনে রিপ্রাইভ জানায়, সৌদি যুবরাজকে নিয়োগ দেয়ার পর গত ৮ মাসে ১৩৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে,‘মোহাম্মদ বিন সুলতান প্রতি মাসে গড়ে ১৬ জনের গর্দান নেয়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন।মৃত্যুদণ্ডের এই হার অব্যাহত থাকলে ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ২শ ছাড়াবে। আর এমনটি হলে এক বছরে সর্বোচ্চ শিরশ্ছেদের রেকর্ড গড়বে রিয়াদ।’

সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডের সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি-ও। তারা এ নিয়ে সৌদি যুবরাজের নিন্দা করে বলেছে, তার উচিত দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে মনোযোগ দেয়া উচিত।

তাকে গত বছরের জুনে যুবরাজ অর্থাৎ সৌদি সিংহাসনের উত্তরাধীকার ঘোষনা করা হয়েছে। এরপর থেকেই দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।

জামাল খাশোগির নিখোঁজ
গত ২ অক্টোবর তালাক সংক্রান্ত ডকুমেন্ট জোগার করতে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে যান সাংবাদিক জামাল খাশোগি। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। তুর্কি কর্তৃপক্ষের ধারণা, ওই কনস্যুলেটের অভ্যন্তরে রিয়াদের নির্দেশেই হত্যা করা হয়েছে তাকে। তবে সৌদি কর্মকর্তারা এই অভিযোগ নাকচ করেছে। তাদের দাবি খাশোগি কনস্যুলেট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়েছেন।

এ নিয়ে সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে এক ধরনের কূটনৈতিক‘খেলা’শুরু হয়েছে। যদিও সোমবার গভীর রাতে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে যৌথ অভিযান চালিয়েছে তুর্কি ও সৌদি পুলিশ

তবে সোমবার সিএনএনসহ কিছু মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দাবি করেছে, খাশোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। সেই স্বীকারোক্তিতে সৌদি সরকার বলবে, ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার জিজ্ঞাসাবাদের সময় মারা যান ওই সাংবাদিক। এ কথা সত্যি হলে এ ঘটনায় যুবরাজের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে দেয়া যাবে না।

সৌদি বাদশাহর কড়া সমালোচক ছিলেন নির্বাসনে থাকা ওয়াশিংটন পোস্টের ভার্জিনিয়া প্রতিনিধি সাংবাদিক খাশোগি। গত মার্চে আল জাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সৌদিতে বহু বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিক কারাবন্দি আছেন। দেশটিতে এখন কেউ যুবরাজ ও তার তথাকথিত সংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পান না। কারণ এ নিয়ে যে উচ্চবাচ্য করবেন তিনি আর শ্বাস নেয়ার সুযোগ পাবেন না।’ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এর আগেও সৌদি কর্মকর্তারা তাকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করেছিল।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: