সর্বশেষ আপডেট : ৩৩ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এবার শাপলা দিয়ে ‘বিজয় ফুল’ বানাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক:: জাতীয় ফুল শাপলা হবে ‘বিজয় ফুল’, ফুলে থাকবে ৬টি পাঁপড়ি, একটি কলি বিজয় ফুলের মাধ্যমে স্মরণ করা হবে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর সেনানী এবং সাধারণ মানুষকে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি শিক্ষার্থী এই ফুল তৈরি করবে। সেই ফুল শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া হবে। শিশুদের তৈরি বিজয় ফুলের কিছু শুভেচ্ছা মূল্যে বিক্রি হবে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বা প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে। জাতীয় ফুল হিসেবে শাপলাকে ‘বিজয় ফুল’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ছয়টি পাঁপড়ি ও কলি নিয়ে হবে বিজয় ফুল। ফুলের পাঁপড়ি ছয়টি বঙ্গবন্ধুর ছয় দফাকে স্মরণ করাবে। আর মাঝখানের কলিটি হবে ৭ মার্চের প্রতীক- উন্নত মম শির।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমানে প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী আছে। এসব শিক্ষার্থী বিজয় ফুল তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। ওই বৈঠকে অংশ নেয়া একজন কর্মকর্তা বলেন, ছয় দফা বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল বীজ বপন করেছিল। এ কারণে বিজয় ফুলে ছয়টি পাঁপড়ি বেছে নেয়া হয়েছে। ফুলে কলিটি হবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ। মনে হবে, বঙ্গবন্ধু ফুলের কলি হয়ে ফুটে আছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রতিযোগিতা আয়োজনে বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে বিটিভির মহাপরিচালক এসএম হারুন-অর-রশীদকে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটির সদস্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহামুদ-উল-হক বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জনগণ তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে বছরের একটি বিশেষ দিনে পোশাকে বিশেষ প্রতীক ধারণ করে থাকেন। যেমন- যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স এবং বেলজিয়াম প্রতিবছর ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত তাদের বীর শহীদদের স্মরণে রিমেমব্রোন্স ডে’ উদযাপন করেন। যেসকল যোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন, ওইদিন তাদের স্মরণে পোশাকে লাল পপি ফুল ধারণ করে থাকেন। সেই ধারণা থেকেই বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের স্মরণে ডিসেম্বর মাসে বিজয় ফুলের প্রচলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিজয় দিবসে এভাবে শহীদ বীর সেনানী ও সাধারণ মানুষকে স্মরণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজয় ফুল তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হবে। এতে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে। ওই প্রতিযোগিতা উপজেলা, জেলা, বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় পর্যায়ে পরিগ্রহ করবে। এরপর জাতীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ ঘোষণা করা হবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী। অতিরিক্ত সচিব মাহামুদ-উল-হক বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এই পদক্ষেপ নেয়া হবে। বিজয় ফুল তৈরির প্রতিযোগিতার পাশাপাশি স্কুল পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলা ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত গাওয়ার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এই তিন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বিতরণ করবেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: