সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৮ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রওশনের অগোচরে এরশাদের গোপন প্রার্থী তালিকা

নিউজ ডেস্ক:: আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী নেতা ও দলের কো চেয়ারপার্সন বেগম রওশন এরশাদের অগোচরে গোপনে প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।দলের ঘনিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানায়।

সুত্র মতে, বিএনপি নির্বাচনে আসলে একাদশ নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে নির্বাচন করবেন এরশাদ।এজন্য তিনি আগে ভাগেই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন।চৌদ্দদলীয় জোটনেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কাছে একশ আসন চাইবেন,যদি সম্ভব না হয় কমপক্ষে ৭০টি আসন দাবি করবেন তিনি।সেই হিসাব মাথায় রেখে তৃণমূলের মতামত ছাড়া রওশন এরশাদকে না জানিয়ে গোপনে প্রার্থী তালিকা তৈরি করেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।যে কোন সময় সেই তালিকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছানো হবে বলেও জানা গেছে।

একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপন তালিকায় দলের অনেক সিনিয়র নেতা বাদ পড়েছেন। বাদ পড়ার তালিকায় রয়েছেন রওশনপন্থী অনেকেই। এমন অনেকেই প্রার্থীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন কখনো আগে জাতীয় পার্টি করে নাই। বিতর্কিত ও মামলার আসামিরাও এরশাদের এই গোপন তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। তবে বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যেও কেউ কেউ বাদ পড়েছেন এই তালিকায়।

জানা গেছে, এরশাদের গোপন তালিকায় বাদ পড়েছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মধ্যে মনোনয়নপ্রত্যাশী ঢাকা-৫ আসনে মীর আব্দুস সবুর আসুদ, ঢাকা- সবুজবাগ আসনে অধ্যাপক দোলোয়ার হোসেন, খাগড়াছড়ির আসনে সোলায়মান আলম শেঠ, রওশন ঘনিষ্ঠ সৌদি আরবের বর্তমান রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ (সোনারগাও) এবং টাঙ্গাইলের আবুল কাসেম, সাইদুর রহমান টেপা, ঢাকা-মোহাম্মদপুর আসনে শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ফয়সল চিশতী, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, উপদেষ্টাদের মধ্যে কাজী মামুন (বি বাড়িয়া), নাজমা আখতার(ফেনী)

সোমনাথ বাবু, ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে জহিরুল ইসলাম জহির (টাঙ্গাইল), নুরুল ইসলাম নুরু, সরদার শাজাহান (পাবনা), আরিফ খান (মানিকগঞ্জ), শামসুল আলম মাষ্টার (পটিয়া), মোর্শেদ মুরাদ ইব্রাহিম (চট্টগ্রাম), আলমগীর সিকদার লোটন (নারায়নগঞ্জ), নাসিম ওসমানের স্ত্রী পারভিন ওসমান, মহিলা পার্টির সেক্রেটারি ও এরশাদের পালিত কন্যা অনন্যা হোসেন মৌসুমী (সোনারগাঁ), দলের যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, আশরাফ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল), দিদারুল কবির দিদার (চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড), মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সেক্রেটারি বেলাল হোসেন, ছাত্রসমাজের সাবেক সভাপতি ইফতিখার হাসান, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান মিরু, মহিলা পার্টির নাজমা আকতার (কুমিল্লা), প্রয়াত ফকির আশরাফের স্ত্রী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আসমা আশরাফ (নেত্রকোনা) সহ ত্যাগী নেতারা।

এরশাদের এই গোপন তালিকায় শতাধিক আসন থেকে ৭/ ৮টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বেধীন সম্মিলিত জোটের শরিকদলগুলোর শীর্ষনেতাদেরকে। তাদের মধ্যে ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ৪টি আসনে, ইসলামী মহাজোট ও বিএনএসহ অন্যান্যদের জন্য বাকী আসন রাখা হয়েছে।

এরশাদের গোপন তালিকায় যারা স্থান করে নিয়েছেন তারা হলেন, ঢাকা-১ অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ এবং ঢাকা-১৭ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, গাজীপুর-২ এসএম নেওয়াজউদ্দিন, নরসিংদী-২ আজম খান, নরসিংদী-৪ নেওয়াজ আলী ভূইয়া, মানিকগঞ্জ-২ সৈয়দ আব্দুল মান্নান, মানিকগঞ্জ-৩ জহিরুল আলম রুবেল, ময়মনসিংহ-৪ রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৫ সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম, ময়মনসিংহ-১০ ক্বারী হাবিবুল্লাহ বেলালী

কিশোরগঞ্জ-২ সৈয়দ সাদরুল উল্লাহ মাজু, কিশোরগঞ্জ-৩ মজিবুল হক চুন্নু, নারায়ণগঞ্জ-১ সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-সেলিম ওসমান, মুন্সিগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ-২ মো.নোমান মিয়া, টাঙ্গাইল-৫ পীরজাদা শফিউল্লাহ আল মনির, রাজবাড়ী-১ অ্যাডভোকেট খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, রাজবাড়ী-২ আবুল হোসেন, ফরিদপুর-৩ এসএম ইয়াহিয়া, জামালপুর-৩ এমএ সাত্তার, জামালপুর-৪ ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ, শেরপুর-১ মো. ইলিয়াস, নেত্রকোনা-০৫ মো.জসিম উদ্দিন ভূইয়া। চট্টগ্রাম-৩ এমএ ছালাম, চট্টগ্রাম-৪ আল্লামা এমএ মান্নান( ইসলামী ফ্রন্ট), চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৯ জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, চট্টগ্রাম-১২ এমএ মতিন(ইসলামী ফ্রন্ট), চট্টগ্রাম-১৬ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার-১ মৌলভী মো. ইলিয়াস, কক্সবাজার-২ আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোহিবুল্লাহ, নোয়াখালী-১ আলহাজ্ব আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক( ইসলামী মহাজোট), নোয়াখালী-২ ফজলে এলাহী সোহাগ,

নোয়াখালী-নোয়াখালী-৪ মোবারক হোসেন আজাদ, লক্ষীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান, ফেনী-৩ রিন্টু আনোয়ার, কুমিল্লা-২ আমির হোসেন ভূইয়া, কুমিল্লা-৪ অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, কুমিল্লা-৮ নরুল ইসলাম মিলন, কুমিল্লা-৯ এটিএম আলমগীর, কুমিল্লা-১১ এইচএনএম শফিকুর রহমান, চাঁদপুর-১ এমদাদুল হক রুমন, চাঁদপুর-২ মো.এমরান হোসেন মিয়া, চাঁদপুর-৫ মাওলানা মো.আবু সুফিয়ান আল কাদেরী( ইসলামী মহাজোট), ব্রাহ্মণবাড়িয়া–১ অ্যাডভোকেট ইসলাম উদ্দিন দুলাল(ইসলামী ফ্রন্ট), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ জিয়াউল হক মৃধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া। রংপুর-১ মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-২ অধ্যাপক আসাদুজ্জামান চৌধুরী সাবলু, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ ফকরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, রংপুর-৬ নুরে আলম জাদু, কুড়িগ্রাম-১ মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনিরউদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-৩ ডা. আক্কাস আলী, কুড়িগ্রাম-৪ অধ্যাপক মো.ইউনুছ আলী, লালমনিরহাট-১ মেজর অব.খালেদ আখতার, লালমনিরহাট-২ রোকন উদ্দিন বাবুল,লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের,

নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, নীলফামারী-২ মো.সাজ্জাদ পারভেজ, নীলফামারী-৪ মো. শওকত চৌধুরী, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারি, গাইবান্ধা-২ আব্দুর রশিদ সরকার, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার। রাজশাহী-৩ শাহবুদ্দিন বাচ্চু, রাজশাহী-৫ অধ্যাপক মো.আবুল হোসেন, নওগাঁ-৩ অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, নাটোর-২ মজিবুর রহমান সেস্টু, নাটোর-৪ অধ্যাপক আলাউদ্দিন মৃধা, সিরাজগঞ্জ-২ আমিনুল ইসলাম ঝন্টু, পাবনা-২ মকুল হোসেন সন্টু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মো. ইসমাইল আজাদ, বগুড়া-২ শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৬ নুরুল ইসলাম ওমর, জয়পুরহাট-১ আ স ম মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২

কাজী আবুল কাশেম রিপন, ঠাকুরগাঁও-১ রেজাউর রাজি স্বপন টৌধুরী, ঠাকুরগাঁও-৩ মো.হাফিজউদ্দিন, দিনাজপুর-৬ মো.দেলোয়ার হোসেন। সিলেট-১ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, সিলেট-২ ইয়াহহিয়া চৌধুরী, সিলেট-৩ উসমান আলী চেয়ারম্যান, সিলেট-৪ এটিইউ তাজ রহমান, সিলেট-৫ মো.সেলিম উদ্দিন। সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রমান মিজবাহ, সুনামগঞ্জ-৫ আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, হবিগঞ্জ-১ আব্দুল মুনিম চৌধুরী বাবু, হবিগঞ্জ-৩ আতিকুর রহমান আতিক। বরিশাল-৩ গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রত্না, পটুয়াখালী-১ এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, পিরোজপুর-১ আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-৩ ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী।

খুলনা-১ সুনীল শুভ রায়, খুলনা-৩ শফিকুল ইসলাম মধু, সাতক্ষীরা-১ সৈয়দ দিদার বখত্, বাগেরহাট-৩ সেকান্দার আলী মনি (বিএনএ), কুষ্টিয়া-১ শাহরিয়ার জামিল জুয়েল, কুষ্টিয়া-৪ সুমন আশরাফ, চুয়াডাঙ্গা-১ অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন, যশোর-৪ লে. কমান্ডার অব. সাব্বির আহমেদ, ঝিনাইদহ-২ নূর উদ্দিন আহম্মেদ এবং মাগুরা-১ অ্যাডভোকেট হাসান সিরাজ সুজা।

জানা গেছে, নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ায় দশম নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ‍হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন কতৃত্বহীন। স্ত্রী রওশন এরশাদের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয় জাপা। দলের সব মনোনয়ন চূড়ান্ত করেন রওশন। এতে এরশাদের পছন্দের অনেক প্রার্থী বাদ পড়ে যান। এমপি হয়ে যান রওশন ঘনিষ্ট বেশ কিছু নেতা। এরশাদ নিজেই ছিলেন ঢাল তলোয়ার বিহীন পার্টির চেয়ারম্যান। নির্বাচন শেষে বিরোধীনেতাও হন রওশন। বিষয়টি তিনি মন থেকে মেনে নেননি। মনে মনে ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। উপায় না দেখে মাঝে মাঝে স্ত্রীর সঙ্গে গলা মেলালেও তার উপর নাখোশ ছিলেন এরশাদ।

জানা গেছে, একাদশ নির্বাচন এরশাদের জীবনের শেষ নির্বাচন। শেষ জীবনে রওশনকে সরিয়ে জাতীয় পার্টিতে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান সাবেক এই সেনা প্রধান। নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ, প্রার্থী চূড়ান্ত করাসহ একাদশ নির্বাচনের সবকিছুই তিনি এককভাবে করতে চান।আর এ মিশনে নেপথ্যে কাজ করছেন দলের বর্তমান মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, এরশাদের একান্ত সচিব মেজর অব. খালেদ আকতার, প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভরায়। রওশন এরশাদের অগোচরে এসব নেতার পরামর্শেই শতাধিক প্রার্থীর তালিকা তৈরি করেন এরশাদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক প্রভাবশালী নেতা জানান, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এরশাদকে সহজ ভুল বুঝিয়ে যা ইচ্ছা করা যায়, কিন্তু বিরোধীনেতাকে সেটা করা যায় না। পছন্দ না হলে দল থেকে বাদ দেওয়া, বিত্তশালী কাউকে পাইলে দলের পদ পদবিসহ নমিশনও দিয়ে দেওয়া, এমনি ভুল বুঝিয়ে বিরোধী নেতার বিরুদ্ধেও খেপানো যায় এরশাদকে। তারই ধারাবাহিকতায় দলের মহাসচিব, সাবেক মহাসচিবসহ শক্তিশালী সিন্ডিকেট নিজেদের পছন্দ- অপছন্দে এরশাদকে দিয়ে এই গোপন তালিকা তৈরি করেছেন।যাতে দলের ত্যাগি অনেকেই বাদ পড়েছেন। আবার বিতর্কিতরা সুযোগ পেয়েছেন।নেতাকর্মীরা চিনে না,নামও জানে না এমন ব্যক্তিরাও মনোনয়ন পেয়ে যাচ্ছেন।এই তালিকা তৈরির পেছনে বড় ধরণের মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে দলের মহাসচিব এবি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, আপনি কাল দুপুরে অফিসে আসেন, এ বিষয়ে সামনা সামনি কথা বলব।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: