সর্বশেষ আপডেট : ১৮ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নবীগঞ্জে দীর্ঘদিন মন দেয়ার পর প্রেমিকাকে ধর্ষন

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা:: মোবাইল ফোনে প্রেম। দীর্ঘদিন মন দেয়ার পর সরাসরি দেখা করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। সে অনুযায়ী প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষনের শিকার হয়েছে এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে নবীগঞ্জ কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের ইমামবাড়ী এলাকায়। প্রেমিকার অভিযোগ, বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রেমিক স্বপন তাকে রাতে ডেকে এনেছিল। এরপর বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষন করেছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা কালিয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের করিয়া গ্রামের নিরানন্দ বিশ্বাস বাদি হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে।

করিয়া গ্রামের দিনমজুর নিরানন্দ বিশ্বাস ওয়ার্কসপ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তার সাথে কাজ করতে গিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক হয় পাশ্ববর্তী পুরানগাঁও গ্রামের করিমের পুত্র হামিদ মিয়ার। একে অপরের বাড়িতে প্রায়ই যাতায়াত করতো। সেই সুবাধে নিরানন্দ বিশ্বাসের ১৯ বছর বয়সী কন্যার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে হামিদ মিয়া নিয়ে দেয় লহরজপুর গ্রামের সাবেক মেম্বার সুন্দর আলীর পুত্র স্বপন মিয়া (২৪)কে। এক পর্যায়ে হামিদ মিয়ার মাধ্যমে ওই তরুণী ও স্বপনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। স্বপন মিয়া নিজেকে হিন্দু পরিবারের ছেলে ও তার নাম স্বপন দাশ বলে জানায় প্রেমিকাকে।

এভাবেই প্রায় ৩ মাস ধরে মোবাইল ফোনে চলে তাদের প্রেমের সম্পর্ক। সম্প্রতি স্বপন মিয়া প্রেমিকার সাথে দেখা করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এমনকি বিয়ের প্রলোভন দিয়ে মঙ্গলবার রাতে দেখা করতে বলে। প্রেমিকের এমন প্রলোভনে দেখা করতে রাজি হয় প্রেমিকা। প্রেমিক স্বপনের কথা মতো রাত ১০ টার সময় হামিদ মিয়া ওই তরুণীকে তার বাড়ি থেকে নিয়ে আসে ইমামবাড়ী বাজারস্থ স্বপনের বাড়ীর পাশের একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে। সেখানে স্বপনের কাছে তরুণীকে রেখে চলে যায় হামিদ। প্রথমে স্বপন তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে তার বন্ধু দেবপাড়া গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে মোশাহীদ মিয়া ও সমসু মিয়ার পুত্র সিএনজি চালক সুমন মিয়াকে। রাত ২ টা পর্যন্ত তরুণীকে গণধর্ষণ করে তারা।

একপর্যায়ে সেই হামিদ মিয়া ওই পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী মুচি বাড়ি নামক স্থানের এক বাড়িতে রেখে আসে। বুধবার ভোরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গেলে তরুণী ঘটনার বর্ণনা দেয়। এ ঘটনার পর থেকেই স্বপন ও তার বন্ধুরা আত্মগোপনে চলে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। এরপর ধর্ষণের শিকার তরুণী ঘটনার বর্ণনা দেয়। বিকেলে ধর্ষিতা তরুণীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানে হয়। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে স্বপন মিয়া, হামিদ মিয়া, মোশাহীদ মিয়া ও সুমনের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: