সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মন্ত্রণালয়ের কাছে বকেয়া সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল

নিউজ ডেস্ক:: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ এক হাজার ৪৩৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪০ মন্ত্রণালয়ের কাছেই পাওনা ৬৬৮ কোটি টাকা। বাকি ৭৬৬ কোটি টাকা বকেয়া বিভিন্ন আধা-সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সরকারদলীয় সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর প্রশ্নের জবাবে বিদুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রীর তথ্যানুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৪ কোটি টাকা বকেয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।

এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ে ২৪ কোটি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ২০ লাখ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে ২২ কোটি, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আট কোটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২১ কোটি, স্থানীয় সরকার বিভাগে ৩৬ কোটি, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে ১৬ কোটি, নির্বাচন কমিশনে আট কোটি, অর্থ বিভাগে ১০ কোটি, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে তিন কোটি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে ৪৪ কোটি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ৫২ কোটি, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ৪৬ কোটি, তথ্য মন্ত্রণালয়ে ছয় কোটি, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ১১ কোটি, ভূমি মন্ত্রণালয়ে আট কোটি, আইন মন্ত্রণালয়ে ৯ কোটি, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে সাত কোটি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ১৩ কোটি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ১২ কোটি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে ১২ কোটি, প্ল্যানিং কমিশনে ১১ কোটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয় মন্ত্রণালয়ে দুই কোটি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ৫৭ কোটি, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনে দুই কোটি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চার কোটি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুই কোটি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চার কোটি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চার কোটি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ৬০ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।

এ ছাড়া পাট ও বস্ত্র, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি, শিল্প, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আরও প্রায় দুই কোটি টাকা বকেয় রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর তথ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম উল্লেখ করলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যাদের বকেয়া বিদুৎ বিল রেখেছে তাদের তালিকা দেয়া হয়নি।

শতভাগ বিদ্যুতায়ন এ বছরের মধ্যেই

জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একমাত্র বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে বিদ্যুতায়নের কাজ করেছে। এখন পর্যন্ত শতকরা ৯২ ভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি, বাকিটাও দ্রুতই শেষ হবে। টার্গেট ২০১৮ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা। এজন্য আর দুই মাস লাগবে।

তিনি আরও বলেন, টার্গেট ২০১৮ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়ন, যতদ্রুত সম্ভব কাছাকাছি চলে যাব। আমাদের প্রতিটি এলাকায় খাল, বিল অতিক্রম করে নতুন ট্রান্সফর্মার, মাইলকে মাইল তার টেনে নতুন গ্রিড লাইন করে সীমিত অর্থের মধ্যে কাজ করাটা খুবই চ্যালেঞ্জ। আগামীতে আমরা চাইবো বিদ্যুৎ খাতে অর্থ বেগবানে অর্থমন্ত্রী আন্তরিক হবেন। এ জন্য সব এমপিকে একত্রিতভাবে কাজ করতে হবে।

বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন

কামাল আহমেদ মজুমদারের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন বর্জ্য থেকে ৬০-৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বেসরকারিভাবে উদ্যোক্তা নিয়োগের মাধ্যমে আইপিপি হিসেবে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনার আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৩৫ মেগাওয়াট এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া চলছে। এ লক্ষ্যে বর্জ্য সরবরাহ ও কেন্দ্রের জন্য জমির বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ৎসমঝোতা স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলায় পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বর্জ্য ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে গত ২৫ জুলাই দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: