সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কফি যখন বিষ হয়ে যায়!

নিউজ ডেস্ক:: আমেরিকায় ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সটিটিউট গত এক দশক ধরে কফি পান নিয়ে একটি জরিপ চালিয়েছে। পাঁচ লাখ ব্রিটিশ নাগরিকের উপর গবেষণায় জানা গেছে যারা নিয়মিত কফি পান করেছেন,তারা কফি থেকে দূরে থাকা মানুষদের চেয়ে বেশিদিন বেঁচেছেন।অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিলো ৩৮-৭৩ বছর।এটা বিশ্বের প্রায় সব দেশেই প্রমাণিত যে, কফি মানুষের জীবন যাপনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।তবে ডাক্তাররা এটাও সব সময় বলে আসছেন কফিতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান শরীরের জন্য ক্ষতির কারণও হতে পারে। তাই অতিরিক্ত কফি শরীরের জন্য এক পর্যায়ে বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে।তাহলে ঠিক কতোটুকু কফি শরীর সহ্য করতে পারে? প্রশ্নটা একটু জটিল হলেও আমরা এর উত্তর জানতে চেষ্টা করি চলুন।

ওভারডোজ হয়ে যাচ্ছে কি: শরীর চাঙ্গা রাখতেই সাধারণত প্রতিদিন কফি পান করে থাকে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন ক্ষতির কারণ হতে পারে। নার্ভাসনেস বা দুর্বল বোধ করতে পারেন অতিমাত্রায় কফি পান করার কারণে। এছাড়া হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘুরোনো, মাথা ঝিমঝিম করা, ঘাম ঝরা, বমি হওয়া। এমনকি পরিস্থিতি অতিরিক্তি খারাপ হয়ে আপনার হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে।

অতিমাত্রা কফি কতটুকু: একেকজন মানুষের ক্যাফেইন সহ্য করার ক্ষমতা একেক রকম হতে পারে। তবে ইউনাইটেড স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচারের তথ্যমতে, প্রতিদিন ৪০০ মিলিগ্রামের বেশি কফি পান করা উচিত না।

ক্যাফেইন কেন বেশি প্রয়োজন: ক্লান্তি দূর করতে ক্যাফেইন কার্যকর হলেও অতিমাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।সকালে ব্রেকফাস্টের পর এক কাপ কফি, দুপুরে এক কাপ চা -এভাবে প্রতিদিন গড়ে অনেক কাপ চা ও কফি পান করতে হয় আপনাকে।তবে সেটাই এক সময় শরীরের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।তাই আগে থাকতেই কফি পান নিয়ে সতর্ক হোন।

তথ্যসূত্র: নিউজ ডট স্কাই, টাইমস অফ ইন্ডিয়া।



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: