সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভাদ্র মাসের তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করেই ছাতকে আমন রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ছাতক:: ছাতকে কৃষকরা আমন ধান রোপনে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভাদ্র মাসই আমন ধান রোপনের উপযুক্ত সময়। ভাদ্র মাসের তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করেই সারা দিন মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা। উপজেলার প্রতিটি হাওর-মাঠে আমন ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের ব্যস্ততা এখন বেড়ে গেছে। গত বছর আমন মৌসুমের শুরুর দিকে আকস্মিক বন্যায় আমন বীজতলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এবার কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের মুখোমুখি না হওয়ায় চলতি মৌসুমে বুকভরা আশা নিয়ে দিনভর মাঠে চাষাবাদের কাজ করে যাচ্ছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর আমন মৌসুমে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রায় ১২ হাজার ৪শ ৯০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় কখনো রোদ আবার কখনো বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতেই মাঠে কাজ করছেন।

জমি তৈরি, বীজতলা থেকে চারা উঠানো, বীজতলার চারা পরিচর্যা ও জমিতে ধানের চারা রোপণ কাজ দিনভর চলছে। সকাল থেকে মাঠে নামেন কৃষকরা আর সন্ধায় ফিরেন ঘরে। সবুজের মাঠে যেন প্রকৃতির এ এক অপরূপ দৃশ্য। কৃষকরা দলবেঁধে উৎসবমুখর পরিবেশে ধানের চারা তুলা ও রোপণের চিত্র যেন এখানে প্রতিদিনের দৃশ্য।উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক কৃষকরা জানান, চলতি বছর আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে এখানে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হলেও শ্রাবণের শেষ সময়ে এসে হঠাৎ করে রোদের প্রখরতা বৃদ্ধি পায়। বৃষ্টি স্বল্পতার কারণে কিছুটা কৃষি কাজে ব্যাঘাতের সৃষ্টি হয়। বিগত বছর এ সময়ে জমিতে থেকে পানি নামেনি। এ বছর পানির কিছুটা সল্পতার সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই কৃষকরা দ্রুত মাঠের কাজ শেষ করে নিতে হবে। আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যেই উপজেলার সকল এলাকায় আমন চাষাবাদ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম বদরুল হক।

খুরমা উত্তর ইউপির মৈশাপুর গ্রামের কৃষক লালু মিয়া জানান, হঠাৎ করে রোদের প্রখরতা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সেই সাথে বৃষ্টি স্বল্পতার কারণে অনেকই সেচের মাধ্যমে জমিতে ফসল বুনতে হচ্ছে। এজন্য খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে একসাথে ৯ কেয়ার (বিঘা) জমি হালচাষ করে প্রস্তুত করে আবাদ করতে হচ্ছে। প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর শ্রমিকদের মজুরি এখানে অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চারা রোপনের বিঘা প্রতি শ্রমিক মজুরি ২০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে শ্রমিক সংকট রয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম বদরুল হক জানান, আগস্টের প্রথমে বন্যার শংকা থাকায় চাষাবাদে কৃষকদের মধ্যে কিছুটা ধীরতা দেখা দিয়েছিল। ইতোমধ্যে বন্যার শংকা কেটে গেছে। কৃষকরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চারা লাগিয়েছেন। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগের মুখোমুখি না হলে ছাতকে আমনের বা¤পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: