সর্বশেষ আপডেট : ৩০ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কোরবানিতে সোয়া কোটি পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য

নিউজ ডেস্ক:: কোরবানির ঈদ উপলক্ষে কাঁচা চামড়া কেনার প্রস্তুতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। নির্বাচনী বছর হওয়ায় অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ২০ থেকে ৩০ লাখ পশু বেশি কোরবানি হবে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা। তাই এবার এক কোটি ২৫ লাখ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার কাঁচা চামড়া সংগ্রহে প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্যানারি মালিক, ফড়িয়া ও আড়তদাররা।শনিবার রাজধানীর লালবাগ, পোস্তগোলা ও হাজারীবাগের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

তারা বলছেন, সব সময় নির্বাচনী বছরে কোরবানির সংখ্যা বেড়ে যায়। এবারও বাড়বে। তাই পশুর চামড়া কেনা ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী আড়ৎদাররা। তবে অর্থ সঙ্কটের কারণে এবার চামড়া সংগ্রেহে সমস্যা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সভাপতি হাজী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই ভোটার তুষ্টিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এবার ঈদে বেশি করে পশু কোরবানি দেবেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ২০ থেকে ৩০ লাখ পশু বেশি কোরবানি হবে আশা করা হচ্ছে। গত বছর এক কোটির মতো পশু কোরবানি হয়েছিল। এবার সোয়া কোটির বেশি পশু কোরবানি হবে। এটি মাথায় রেখেই চামড়া কেনার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, সারা বছরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ চামড়া কোরবানির ঈদে সংগ্রহ হয়। এ বছর আড়াই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার কাঁচা চামড়া কেনাবেচা হবে।

অর্থ সঙ্কটে চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে উল্লেখ করে কাঁচা চামড়ার এ আড়তদার বলেন, এখন পর্যন্ত ট্যানারির মালিকরা আমাদের পাওনা টাকা দেননি। আগামী দুই দিনের মধ্যে ট্যানারিগুলো অর্থ না দিলে নগদ টাকার অভাবে চামড়া কেনা যাবে না। আর এ সময়ে যদি অর্থের অভাবে চামড়া সংগ্রহ না করতে পারি তাহলে চামড়া পাচার হয়ে যাবে।তিনি বলেন, ট্যানারি মালিকরা ব্যাংক ঋণের সুবিধা পায়। আমরা কিছুই পাই না। নিজের টাকায় ও ধার দেনা করে ব্যবসা করি।

কাঁচা চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে সারাদেশে প্রায় তিন লাখ লোক জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের ব্যবসায় সমস্যা হলে এসব লোক ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই চলমান অর্থ সঙ্কট মেটাতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার এবং ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৭১ লাখ। গত বছর গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ ২২ হাজার।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: