সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ১ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প : হাজারের বেশি পর্যটককে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৯১ জন প্রাণ হারিয়েছে। রোববারের ওই ভূমিকম্পে কয়েশ মানুষ আহত হয়েছেন। রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে হাজার হাজার ইমারত ভেঙে পড়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ যোগাযোগ। সোমবার জিলিস দ্বীপ থেকে এক হাজারের বেশি পর্যটককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

প্রকাশিত একটি ফুটেজে দেখা গেছে, ভূমিকম্পের পর আতঙ্কিত পর্যটকদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ওয়্টে নুসা তেংগারাস ট্যুরিজম এজেন্সির প্রধান মোহাম্মদ ফাওজেল জানিয়েছেন, জিলিস দ্বীপে প্রায় ১২শ বিদেশি পর্যটক ছিলেন। তাদের সবাইকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মোহাম্মদ ফাওজেল এএফপিকে বলেন, আমরা সবাইকে এক সঙ্গে উদ্ধার করতে পারছি না কারণ আমাদের নৌকায় যথেষ্ঠ ধারণক্ষমতা নেই। তবে এটা বোঝাই যাচ্ছে যে তারা জিলিস ছাড়তে চাইছেন কারণ তারা আতঙ্কিত।

তিনি জানিয়েছেন, নৌবাহিনীর দু’টি নৌকাসহ আরও বেশ কয়েকটি নৌকা ইতোমধ্যেই উদ্ধারকাজে অংশ নিতে যাচ্ছে। ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লম্বক দ্বীপটি। সেখানেই অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া এক কর্মকর্তা বলেন, জিলিস দ্বীপে কমপক্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।

উদ্ধার কর্মকর্তা অগাস হেন্দ্রা সানজায়া এএফপিকে বলেন, জিলি মেনো দ্বীপে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের শরীরের হাড় ভেঙে গেছে।

রোববার রাতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটি বালি দ্বীপেও আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্প আঘাত হানায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে রোববার রাতে ভূমিকম্প শুরু হলে পার্শ্ববর্তী দ্বীপের লোকজন আতঙ্কে বাড়িঘর থেকে বেরিয়ে ছুটোছুটি শুরু করে। পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় লম্বক দ্বীপে এক সপ্তাহ আগের আরেকটি ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত হন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য মতে, সর্বশেষ ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তা তুলে নেয়া হয়।

পরে লম্বক এবং বালির রাস্তায় ভেঙে পড়া বাড়ি-ঘরের ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করতে সাধারণ মানুষকে কাজে নামতে দেখা গেছে। লম্বক এবং বালি দ্বীপে যথাক্রমে ত্রিশ এবং চল্লিশ লাখ মানুষের বসবাস। তবে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক লাখ পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করে থাকেন।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, লম্বকের প্রধান শহর মাতারামে বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের অধিকাংশই দুর্বল নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

মাতারামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে লোকজন ভয়ে রাস্তায় নেমে আসে। ইমান নামের এক বাসিন্দা বলেন, প্রত্যেকেই তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের বাড়িঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: