সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৫০ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সৌন্দর্যে ভরা সুইজারল্যান্ড

নিউজ ডেস্ক:: সুইজারল্যান্ডের যেদিকে তাকানো যায়, মনে হয় যেনো পোস্টকার্ডে আঁকা ছবি। গরুদের চারণভূমিগুলো ভীষণ সুন্দর। হাইকারদের জন্য স্বর্গ হিসেবে পরিচিত সুইজারল্যান্ডে ঘুরতে গেলে ইয়ুংফ্রাও, মোনশ বা আইগের চূঁড়া দেখতে যাওয়া উচিত।

সুউচ্চ এবং দ্রুতগামী

swizerlaland

গরু এবং গরুর ঘণ্টা

‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবিটির কারণে সুইজারল্যান্ডের এই গরুর ঘণ্টা ভারতীয় উপমহাদেশে এখন সুপরিচিত। এই দেশে সুন্দর গরুর প্রতিযোগিতা, গরুর দৌঁড় প্রতিযোগিতাসহ গরুকে ঘিরে নানা আয়োজন হয়ে থাকে এবং গরুকে কোনো রকম আঘাত করা যাবে না।

পনীরের দেশ

সুইজারল্যান্ডকে পনীরের দেশ বলা হয়ে থাকে। বছরে সেখানকার মানুষ ২০ হাজার টন চিজ বা পনীর খায়।

swizerlaland

আলপাইন সাউন্ডস

আল্পহর্ন এখন সুইজারল্যান্ডের জাতীয় প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। কাঠের তৈরি এই বাঁশি থেকে যে শব্দ বের হয় তা ১০ কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যায়। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা আল্পহর্ন এর দৈর্ঘ্য ৪৭ মিটার।

বন্ধুত্বপূর্ণ এবং ভালো প্রকৃতির কুকুর

আল্পসের সবচেয়ে সুপরিচচিত কুকুর হলো সেন্ট বার্নার্ডস। এদের মধ্যে ব্যারি নামের একটু কুকুর তারকা খ্যাতি পেয়েছে। ১৮১৪ সালে মৃত্যুর আগে কুকুরটি অন্তত ৩০ জনের জীবন বাঁচিয়েছে। বার্নের ন্যাচরাল হিস্ট্রি জাদুঘরে গেলে ব্যারিকে দেখতে পারবেন।

swizerlaland

হাইডির বিশ্ব

সুইজারল্যান্ডের এই মেয়েটির গল্প পুরো বিশ্বের কাছে পরিচিত। মাইয়েনফেল্ড গ্রামের মেয়ে হাইডিকে নিয়ে উপন্যাসটি লিখেছিলেন ইয়োহানা স্পিরি, যা এখন পর্যন্ত ৫ কোটি কপি বিক্রি হয়েছে।

চকলেট

সুইজারল্যান্ডের চকলেট পৃথিবী বিখ্যাত এর মিষ্টতা এবং মসৃণভাবের জন্য।

সুইস আর্মি নাইফ

১৮৯৭ সালে প্রথম তৈরি হয় সুইস ছুরি। তখন এটি ছিল ‘অফিসার্স পকেট নাইফ’। আর এখন সুইজারল্যান্ডের সর্বত্র পাওয়া যায় এই চাকু। এমনকি গোলাপি রঙের এবং ইউএসবি স্টিকযুক্ত।

সুইস আর্মি নাইফ

১৮৯৭ সালে প্রথম তৈরি হয় সুইস ছুরি। তখন এটি ছিল ‘অফিসার্স পকেট নাইফ’। আর এখন সুইজারল্যান্ডের সর্বত্র পাওয়া যায় এই চাকু। এমনকি গোলাপি রঙের এবং ইউএসবি স্টিকযুক্ত।

swizerlaland

টানেলের দেশ

সুইজারল্যান্ডে ১৩শ’রও বেশি টানেল রয়েছে। যেগুলো দিয়ে ডেনমার্ক থেকে সিসিলি অব্দি যাতায়াত করা যায়। গটহার্ড বেস টানেল ৫৭ কিলোমিটার লম্বা এবং বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলওয়ে টানেল।

সুইজারল্যান্ড আছে অন্যখানেও

ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে সুইজারল্যান্ডের মত দৃশ্য আছে এমন জায়গাগুলোর নাম রাখা হয় দেশটির নামে। বর্তমানে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি এলাকা আছে সুইজারল্যান্ডের নামে।

সূত্র : ডিডাব্লিউ




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: