সর্বশেষ আপডেট : ২৫ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২২ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় ভূমি দান ও নির্মাণ কাজ শুরুর ১০ বছরেও নেই নামাজের পরিবেশ

আব্দুর রব, বড়লেখা:: বড়লেখার দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে রয়েছে। মসজিদে নেই নামাজ পড়ার কোন পরিবেশ। আশপাশের পয়:ময়লা নিষ্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় কাঁদা আর ময়লা পানি জমে থাকে মসজিদের প্রবেশ পথ, বারান্দা ও ভিতরের সেজদার স্থানে। মসজিদে নেই অজুর ও প্রস্রাবের ব্যবস্থা। ফলে স্কুলের ৩ শতাধিক মুসলিম শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দুরের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও স্কুল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় স্কুল মসজিদটির এমন বেহাল অবস্থা বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মুসল্লির।

জানা গেছে, ২০০৮ সালে এলাকার লঘাটি গ্রামের দানশীল ব্যক্তি মৃত হাজী মস্তাকিম আলীর ছেলেরা ৮ লাখ টাকা মূল্যের ৪ শতাংশ ভূমি দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নামাজের সুবিধার্থে মসজিদ নির্মাণে দান করেন। এলাকাবাসী ও প্রবাসীদের অর্থায়নে প্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মসজিদটির আংশিক নির্মাণ করার পর থেকে নামাজ আদায় শুরু হয়। বর্তমানে স্কুলের ১১৬৮ জন শিক্ষার্থীর প্রায় ৬ শাতাধিক মুসলিম শিক্ষার্থী। এরমধ্যে প্রায় অর্ধেক ছেলে শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত থাকা অবস্থায় মাঝেমধ্যে নামাজ আদায় করলেও গত ১ বছর ধরে প্রবেশ পথে নোংরা পানি, ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধে মসজিদে নামাজ পড়াতো দুরের কথা ঢোকাই যাচ্ছে না। ফলে শিক্ষক ও ছাত্রদের দুরের মসজিদে গিয়ে যোহরের নামাজ পড়তে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্থানীয় বাজারের একটি ড্রেন ও স্কুলের কিছু অংশের পানি নিষ্কাষনের ড্রেনটি মসজিদমুখী করে দেয়া হয়েছে। ফলে নোংরা পানি ও ময়লা এসে মসজিদের প্রবেশমুখ ও ভিতরে প্রবেশ করে দূর্গন্ধসহ নামাজের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। মসজিদের চারপাশে আগাছা, ভিতর ও বারান্দায় নোংরা পানি ও ময়লা রয়েছে। নামাজ পড়ার মত কোন পরিবেশই নেই।

মসজিদের ভুমি দাতা মইন উদ্দিন ও মসজিদ নির্মাণে আর্থিক অনুদান প্রদানকারী বৃহত্তর লঘাটি যুবসংঘের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজ অভিযোগ করেন কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ১০ বছরেও স্কুল মসজিদে নামাজ পড়ার পরিবেশ তৈরী হয়নি। এটি খুবই দুঃখজনক। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার চক্রবর্তীর প্যানেল নির্বাচনের ইশতেহারের প্রথম দফায় মসজিদের অসম্পুর্ণ কাজ সম্পন্ন করার ঘোষনা দেন। তাদের পুর্ণ প্যানেল জয়ী হলো অখচ আজও মসজিদ সংস্কার ও নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেননি।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, স্কুলের নির্মাণ কাজ চলার কারনে পানি নিস্কাষনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে নির্মাণ কাজ শেষ হলেই মসজিদ পরিস্কার করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে নামাজ পড়া যাচ্ছে না এমন অভিযোগ সত্য নয় দাবী করে বলেন, সাময়িক কয়েকদিন অসুবিধা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস জানান, শীঘ্রই স্কুল মসজিদটি নামাজের উপযোগী করে তোলা হবে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: