সর্বশেষ আপডেট : ৩০ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ব্লু হোয়েলের’ পর অনলাইনে নতুন আতঙ্ক ‘মমো’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: ব্লু হোয়েলের রেশ কাটতে না কাটতেই অনলাইনে হাজির হয়েছে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী নতুন গেম ‘মমো’।গেমটি হোয়াটস্যাঅ্যাপ মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে।ল্যাটিন আমেরিকায় এর বিরুদ্ধে সতর্কতা জারী করা হয়েছে।তবে ইতিমধ্যেই এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপজুড়ে এর বিস্তৃতি ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞরা মমো’র তুলনা করছেন আলোচিত ‘ব্লু হোয়েলে’র সাথে।বলেছেন ভয়াবহ এই খেলা নিয়ে যেতে পারে মারাত্মক পরিণতির দিকে। মমো দেখতে শিহরণ জাগানিয়া। গায়ের চামড়া ফ্যাকাসে। ঠিকরে বের হয়ে আসা চোখ আর বাইরের দিকে প্রসারিত লাল লাল ঠোট।মমো যেকোন সময়ে আপনার কম্পিউটারের পর্দায় ভেসে উঠতে পারে।আপনাকে গেম খেলতে প্রলুব্ধ করতে পারে।

ল্যাটিন আমেরিকায় কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক করে বলেছে এ গেম মেসেজের মাধ্যমে অন্যকে না দেয়ার জন্য। তারা বলছে, এই অনলাইন গেম কাউকে অনেক দুর নিয়ে যেতে পারে।অনলাইন অপরাধ নিয়ে কাজ করা মেক্সিকোর একটি পুলিশ ইউনিট বলছে, এটা শুরু হয়েছে ফেসবুকে। একদল লোক একে অন্যকে প্রলুব্ধ করে একটি অপরিচিত নাম্বারে কল দেয়ার জন্য।

মেক্সিকো পুলিশ বলছে,অনেক ব্যবহারকারী জানিয়েছে যে মমো’তে বার্তা পাঠানোর পর সে সহিংস ছবি পাঠাবে।অনেকে হুমকিমূলক বার্তা পেয়েছেন বা ব্যক্তিগত তথ্যও ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।স্পেনেও পুলিশ এ ধরনের গেম উপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে নাগরিকদের।

কোথা থেকে এলো এই মমো?
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রেডিট বলছে, তাদের সবচেয়ে পড়া হয়েছে এমন পোস্টগুলোর একটি হলো ‘হোয়াটসঅ্যাপ বালিকা মমো কি ও কে?সবচেয়ে জনপ্রিয় উত্তর ছিলো, স্প্যানিশভাষী কোন দেশ থেকে একজন ‘ইনস্টাগ্রাম’ থেকে একটি ছবি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট তৈরি করে।লোকজন সেখান থেকে একটি কন্টাক্ট নাম্বার পায় ও গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে তুমি একে স্পর্শ করলে সে তোমাকে গ্রাফিক ছবি ও বার্তা দেবে।কেউ কেউ বলেন যে আপনার সব ব্যক্তিগত তথ্যে তার প্রবেশাধিকারের সুযোগ আছে।

হোয়াটস্যাঅ্যাপ মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে মমো
যতটুকু জানা যাচ্ছে, হোয়াটসঅ্যাপ গেমটি জাপানের কোড সম্বলিত তিনটি ফোন নাম্বারের, কলম্বিয়ার কোড সম্বলিত দুটি আর মেক্সিকোর কোড সম্বলিত আরেকটি নাম্বারের সাথে সংযুক্ত। আর ছবিটি নেয়া হয়েছে টোকিও’র একটি প্রদর্শনী থেকে।যদিও এটা জানা খুবই কঠিন যে গেমটি আসলে কোথা থেকে এসেছে কিন্তু এটি এখন জানা যে ছবিটি জাপানের মমো’কেই প্রতিনিধিত্ব করতে ব্যবহার করা হয়।

মমো’র ভীত চাহনির মুখ একটি পাখি মানবীর মূর্তিকে তুলে ধরে।২০১৬ সালে টোকিওতে ভ্যানিলা গ্যালারীতে একটি প্রদর্শনীর অংশ ছিলো এটি।দু’বছর আগে আরেকটি প্রদর্শনীতে মমো ছিলা বিশেষ আকর্ষণ।বহু মানুষ মমোর সাথে ছবি তুলেছে এবং এমন বহু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে।এখন মেক্সিকোর পুলিশ বলছে কেউ ইনস্টাগ্রাম থেকে ওই অনুষ্ঠানের ছবি নিয়ে সেটাকেই কেটে কুটে এমন বানিয়েছে।

বিপদজনক কেন ?
মেক্সিকোর পুলিশ বলছে অপরিচিত কোন নাম্বারের সাথে যোগাযোগ ভালো আইডিয়া না।তবে এর বাইরেও অন্তত পাঁচটি কারণে মমো কে উপেক্ষা করা উচিত বলে মনে করে তারা।সেগুলো হচ্ছে: ব্যক্তিগত তথ্য চুরির সম্ভাবনা; সহিংসতা,এমনকি আত্মহত্যায় প্রলুব্ধ করার সম্ভাবনা;ব্যবহারকারী হয়রানির শিকার হওয়ার সম্ভাবনা; ব্যবহারকারী চাঁদাবাজির শিকার হওয়ার সম্ভাবনা; ব্যবহারকারী মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

সুত্র: বিবিসি বাংলা




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: