সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন: গোলাপগঞ্জের গোয়াসপুরে শ্রমিকদের ওপর হামলাকারীদের রক্ষা করতে অপপ্রচার করা হচ্ছে

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার গোয়াসপুর মৌজায় বালু উত্তোলনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ করেছেন বালু মহালের লীজ গ্রহীতা গ্রীণ চ্যানেল-এর ম্যানেজার সুমন আলী। শনিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন- স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র বালু উত্তোলনে বাধার সৃষ্টি করছে এবং বালু উত্তোলনে থাকা শ্রমিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামাল চালিয়েছে। হামলার ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং হামলাকারীদের রক্ষায় সংবাদ মাধ্যমে ভুল তথ্য পরিবেশন করে অপপ্রচার করছে ওই চক্র।

সুমন আলী লিখিত বক্তব্যে বলেন- মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রীট পিটিশন নং ২০০৪/২০১৮ মূলে গ্রীণ চ্যানেল গত ৪ জুলাই থেকে গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গোয়াসপুর মৌজায় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন কাজ শুরু করে। এর আগে হাইকোর্টের আদেশের পরপরই সিলেটের জেলা প্রশাসক, গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে বালু মহলটি সমঝাইয়া দেওয়ার জন্য গ্রীণ চ্যানেল এর পক্ষ থেকে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়। লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন গোলাপগঞ্জ ভূমি অফিসের মাধ্যমে সীমানা চিহ্নিত করে গ্রীণ চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে বালু মহালটি সমঝাইয়া দেয়। তার পর থেকেই আমরা বালু উত্তোলন শুররুকরি। কিন্তু গত ১৫ জুলাই সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে জনৈক জেলওয়ার হোসেন স্বপন চাঁদা দাবি করে। তার দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় গোলাপগঞ্জের কতিপয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়। ১৭ জুলাই ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলকালে কর্মরত থাকা শ্রমিকদের ওপর ওই সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়।

এসময় তারা কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে কয়েকজন শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে আহত অবস্থায় গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে তাদেরকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও তারা হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। হামলার ঘটনার পরদিন স্থানীয় একটি পত্রিকায় অসত্য সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ওই সংবাদে হামলাকারীদের রক্ষা করতে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হয়। তিনি বলেন, হামলাকারীদের হাতে থাকা অস্ত্রগুলো শ্রমিকদের হাতে ছিল এ রকম একটি ক্যাপশন যোগ দিয়ে ছবি প্রকাশ করা হয়। ছবিতে অস্ত্র দেখানো হলেও অস্ত্র বহনকারীদের মাথা কেটে দেওয়া হয়। ওই পত্রিকা ছাড়াও আরো দুয়েকটি পত্রিকায়ও অসত্য সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ওই চক্র নিজেদের রক্ষা করতে এখন অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে। গত ১৮ জুলাই ওই পত্রিকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের যে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, প্রকৃত পক্ষে সে ছবি ড্রেজার মেশিনের শ্রমিকদের নয়। ড্রেজার মেশিনের অবস্থান নদীর মধ্যখানে ছিল। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত অস্ত্রধারীদের ছবিগুলো নদীর পারের লোকালয়ের ছবি। শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ড্রেজার মেশিনের মালিক আবুল হোসেন বাদী হয়ে আদালতে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সুমন আলী হামলার ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকের প্রতি আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- রাহী আহমদ, সুহেল আহমদ, জাহেদ আহমদ, মো. দিদারুল আলম দিদার, শাহ ইমরান, ময়নুল ইসলাম রনি, লিটন আহমদ, কয়ছর আহমদ প্রমুখ।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: