সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

লাগাতার শিডিউল বিপর্যয়ে দুর্ভোগ হজযাত্রীদের

নিউজ ডেস্ক:: চলতি বছর হজ ফ্লাইট শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই সিডিউল বিপর্যয়ের ফাঁদে পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলো। প্রতিদিনই ২-৫ ঘন্টা করে বিলম্ব ঘটছে ফ্লাইটের। এলোমেলো ফ্লাইট সিডিউলের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হজ পালনে সৌদি আরবগামী যাত্রীরা। দিনের একটি ফ্লাইট দেরিতে ছাড়ার কারণে অপর ফ্লাইটগুলো যাচ্ছে দেরিতে। আসছেও দেরিতে। দেরির ওই প্রভাবটা অন্য ফ্লাইটগুলোতে পড়ছে। ফলে এমনও ঘটছে যে বিকালের ফ্লাইট ছাড়ছে রাত পেরিয়ে পরদিন সকালে।

যান্ত্রিক ত্রুটি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র নষ্ট থাকা নিয়মিত সমস্যায় পরিণত হয়েছে। হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যেতে আশকোনা হজ ক্যাম্পে নির্দিষ্ট সময়ের আগে উপস্থিত হচ্ছেন হাজিরা।নির্দিষ্ট সময়ে ইমিগ্রেশন শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলে যাচ্ছেন তারা। বিমান বন্দরে গিয়ে ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। গতকাল বুধবারও দুইটি ফ্লাইট বিলম্বে ছাড়ে। তার আগের দিন ভোর সাড়ে চারটার একটি ফ্লাইট তিন ঘণ্টা দেরিতে বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। আর বিকাল সাড়ে চারটার ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়েছে।

মঙ্গলবার সকালের দিকে ফ্লাইট ঠিক থাকলেও থাই এয়ার ওয়েজের একটি উড়োজাহাজের চাকা ফেটে যাওয়ায় দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিমান উঠানামা বিঘ্নিত হয়। সব ফ্লাইট ছেড়ে যায় বিলম্বে। এর কবলে পড়েন হজ যাত্রীরাও। প্রায় দুই ঘন্টা পর ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সোমবার বিজি-৭০৩৩ ফ্লাইটটি ভোর চারটা ৩৫ মিনিটে শাহজালাল বিমানবন্দর ছাড়ার কথা থাকলেও তা সকাল সাড়ে সাতটায় ছেড়ে যায়। রবিবার বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সকাল ও বিকালের দুটি ফ্লাইটের সিডিউল বিপর্যয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন আট শতাধিক হজযাত্রী।

এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশের মিডিয়া উপদেষ্টা শাকিল মেরাজ বলেন, সৌদি আরব থেকে বিমান আসতে দেরি হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়। দিনের একটি ফ্লাইট দেরিতে ছাড়ার কারণে অপর ফ্লাইটগুলো কিছুটা দেরিতে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ দেরির ওই প্রভাবটা অন্যগুলোতে পড়ে। তিনি বলেন, রি-সিডিউলের কারণে কিছু ফ্লাইট এলোমেলো হলেও এপর্যন্ত কোন ফ্লাইট বাতিল হয়নি। সামনে সমস্যা কমানোর চেষ্টা চলছে।

এদিকে চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ হজযাত্রী হজ পালন করতে সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৬ হাজার ৭৯৮, আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ১ লাখ ২০ হাজার জন। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৮টি এজেন্সি হজের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৮৭টি ফ্লাইট ৬৪ হাজার ৯৬৭ এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের ১৮৮টি ফ্লাইট ৬১ হাজার ৮৩১ যাত্রী পরিবহন করবে। হজের শেষ ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে ১৫ আগস্ট।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা
এদিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় গতকাল এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে হজ এজেন্সিগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, কোন কোন হজ এজেন্সির কার্যক্রম সন্তোষজনক হলেও অনেক এজেন্সি এখনো বিমানের টিকিট নিশ্চিত করে বাড়ি ভাড়া করেনি। সেসব এজেন্সিকে আজকের মধ্যে মক্কা-মদিনায় বাড়ি ভাড়া নিশ্চিতসহ বিমানের টিকিট সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার নির্দেশ প্রদান করা হলো। নইলে যাত্রী পরিবহনে কোন জটিলতার সৃষ্টি হলে তার দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে বহন করতে হবে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: