সর্বশেষ আপডেট : ১৬ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২০ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ভুলে যেতে হবে আপনি ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন’

নিউজ ডেস্ক:: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানীকে উদ্দেশ্য করে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এইচ আহমেদ কামাল বলেছেন, ‘আপনাকে ভুলে যেতে হবে যে আপনি ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। একটু ভুলে যান। অনেক দিনতো হলো প্রশাসন ও শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু আপনার ওই পরিচয়টাতো আপনি ভুলতে পারছেন না। এটা ভুলতে হবে শিক্ষকতা করতে গেলে।’

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে শিক্ষকরা এই সমাবেশ করেন। শতাধিক শিক্ষার্থীকেও সংহতি সমাবেশে অংশ নিতে দেখা যায়।

এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সংহতি সমাবেশ থেকে একটি মৌন মিছিল বের হয়। মিছিলটি কলাভবন-ডাকসু ভবন ঘুরে আবার অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এসে শেষ হয়।

অধ্যাপক আহমেদ কামাল বলেন, ‘প্রতিবাদ সবসময় ছিল আছে থাকবে। আর প্রশাসন এগুলোকে ভয় পায়। কিন্তু নিপীড়ন যে কোনো আন্দোলন থামানোর শেষ পন্থা না, এ শিক্ষাটা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ আজ পর্যন্ত তাদের দেয়নি। তাই আমার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কলিগদের বলবো যে তোমরা এ শিক্ষাটা দিয়ে যে নিপীড়ন করে কোনো গণআন্দোলন, অধিকারের আন্দোলন এবং রুটিরুজি, শিক্ষার আন্দোলনকে দমানো যায় না।’

তিনি বলেন, ‘যে অন্যায় করে সে জানে যে তার মাটি খুব নরম। সে জানে এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ একদিন ফুঁসে উঠবে। সেজন্যই তাকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয়। অনেক বেশি প্রস্তুতি নিতে হয়। যে প্রস্তুতিটাই তার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ জায়গায় থেকে সে সরে আসতে পারে না। যখন সে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তখন সে বিচ্ছিনতা ঠেকানোর জন্য যে পদ্ধতি গ্রহণ করে সে পদ্ধতির মধ্যেই যে তার পতন এটা সে বুঝতে পারে না। কোন সরকারেরই এটা বুঝার ক্ষমতা নেই।’

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘কেন এই আন্দোলন হচ্ছে সেটা আমি বুঝতে পারছি না।’ বুঝতে পারতেন খুব সহজেই। লাখ লাখ ছাত্র-ছাত্রী যারা আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে যদি একটা ঘণ্টা সময় দিতেন। কিংবা আপনি যদি শিক্ষকদের সঙ্গেও কিছু সময় কথা বলতেন কিংবা তাদের লেখা কথা-বার্তা যদি আপনি শোনার চেষ্টা করতেন। তাহলে নিশ্চয় বুঝতে পারতেন এই দাবিগুলো কত দিনে জমানো ক্ষোভ থেকে এসেছে।

সংহতি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্তির আস্বাদ দেয়ার কথা, সেই বিশ্ববিদ্যালয়কে কারাগার বানিয়ে ফেলা হচ্ছে। এসময় তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হামলার বিচার করা, সরকারের কোটা সংস্কারের ঘোষণার প্রজ্ঞাপন জারি করা, ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অন্তত সাতটি দাবি তুলে ধরেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: