সর্বশেষ আপডেট : ১৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বৌদ্ধ মন্দিরে থাই কিশোরদের দীর্ঘায়ু কামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের গুহা থেকে উদ্ধারের পর উইল্ড বোর ফুটবল দলের সদস্যরা পরিবারের সঙ্গে প্রথম রাত কাটিয়েছে। রাত কাটানোর পর বৃহস্পতিবার সকালের দিকে একটি বৌদ্ধ মন্দিরে সৌভাগ্য কামনা করে প্রার্থনা করেছে।

থ্যাম লুয়াং গুহায় অনাহারে ১৮দিন কাটানোর পর উদ্ধার এই কিশোরদের এক সপ্তাহ ধরে চিয়াং রাই প্রদেশের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। সেখান থেকে বুধবার তারা ছাড়া পায়। গত ২৩ জুন ফুটবল দলের এক সদস্যের জন্মদিন পালনের উদ্দশে প্রবেশের পর হঠাৎ বৃষ্টিতে জলমগ্ন গুহায় আটকা পড়ে তারা। গুহায় আটকা থাকাকালীন শুধুমাত্র বৃষ্টির পানিই ছিল তাদের একমাত্র পানীয়।

Thai-1

উদ্ধার অভিযানের সময় অক্সিজেন সঙ্কটে প্রাণ হারানো থাই নেভি সিলের সদস্য সুমান গুনানের জন্যও প্রার্থনা করেন উইল্ড বোর ফুটবল দলের সদস্যরা। গুহার সংকীর্ণ পথে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের জন্য এয়ার ট্যাংক বসানোর সময় অক্সিজেন সঙ্কটে প্রাণ যায় থাই নেভি সিলের সাবেক এই সদস্যের।

সংকীর্ণ জলমগ্ন উঁচু-নিচু পথের কঠিন এই অভিযানে একমাত্র প্রাণহানির ঘটনা ছিল এটি। বিশ্বজুড়ে থাই গুহার এই উদ্ধার অভিযানকে এখন ‘মিশন ইমপসিবল’ হিসেবে বলা হচ্ছে।

গত ২৩ জুন থেকে গুহায় উইল্ড বোর ফুটবল দলের ১২ কিশোর সদস্য ও তাদের কোচ আটকা ছিলেন। ২ জুলাই ৯ দিনের এক অভিযানের পর দুই ব্রিটিশ ডুবুরি গুহার ভেতরে কিশোর ফুটবল দলের সদস্যদের খুঁজে বের করেন। দীর্ঘ প্রায় ৪ কিলোমিটার সংকীর্ণ ও উঁচু-নিচু জলমগ্ন পথ পাড়ি দিয়ে কিশোরদের উদ্ধারে শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শুরু হয়।

কিন্তু ৮ জুলাই গুহার পানি কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বর্ষণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার মিশনের প্রধান ও চিয়াং রাই প্রদেশের গভর্নর ন্যারংস্যাক ওসোত্তানাকর্ন জানান, কিশোরদের উদ্ধারে এখনই উপযুক্ত সময়। ওই দিন প্রথম দফায় চারজন ও পরদিন দ্বিতীয় দফায় চারজনকে উদ্ধার করা হয়। কোচসহ বাকি চারজনকে ১০ জুলাই বের করে আনেন উদ্ধারকারীরা।

Thai-2

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে উইল্ড বোর দলের মিয়ানমার বংশোদ্ভূত সদস্য আদুল স্যাম বলেন, ‘এটা ছিল অলৌকিক, আমি অবাক হয়েছিলাম। আমার মাথায় একটা প্রশ্ন ঘুরপাক করছিল, কখন আমরা বাইরে যেতে পারবো। এরমাঝে ব্রিটিশ ডুবুরি জানতে চান, আমরা কেমন আছি। আমি বলেছিলাম, আমরা ঠিক আছি। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আমি কী তোমাকে সাহায্য করতে পারি? তিনি বলেছিলেন, না, ওপরের দিকে যাও।’

পরে সেসব প্রশ্ন মনোবিদরা যাচাই করে দেখেছেন। কিশোরদের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, এমন কোনো প্রশ্ন তালিকায় জায়গা পায়নি। তবে বৃহস্পতিবার থাই কিশোররা যখন মন্দিরে যায় তখনও কিছু গণমাধ্যমকে ছবি তুলতে দেখা যায়।

সূত্র : এএফপি।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: