সর্বশেষ আপডেট : ২৪ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ফ্রান্সের কোচ দেশমের পদত্যাগ দাবি!

স্পোর্টস ডেস্ক:: ২০ বছর আগে ফ্রান্সের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। সেই দিদিয়ের দেশমের কোচিংয়েই এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে ফ্রান্স। দেশমকে যখন মাথায় তুলে রাখার কথা দেশবাসীর, তখন ফ্রান্সেরই এক ফুটবলার কিনা তার পদত্যাগের দাবি তুললেন!বিশ্বকাপ দলে জায়গা না পাওয়া ৩১ বছর বয়সী ফরাসি উইঙ্গার হাতেম বেন আরফা ফরাসি ফুটবলের ভবিষ্যতের স্বার্থে দেশমকে আর কোচের পদে দেখতে চান না।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনে নিজের কলামে দেশমের রক্ষণাত্মক কোচিং কৌশলের তীব্র সমালোচনা করে বেন আরফা লিখেছেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফির পেছনে লুকানোটা ফ্রান্সের জন্য ভীষণ বিপজ্জনক হতে পারে। খেলার এই ধরনটাকে আদর্শ ধরে নিলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। আপনি অস্বীকার করতে পারেন না যে, ফ্রান্স দলের অতি রক্ষণাত্মক কৌশল ভীষণ কুৎসিত। আমি মানছি, এটা দারুণ কার্যকর। কিন্তু ফ্রান্স আসলে জুয়া খেলে জিতেছে। সব প্রতিপক্ষের প্রতিটি ভুলের সুযোগ তারা কাজে লাগিয়েছে। এভাবে আপনি সবসময় জিততে পারবেন না। নতুন প্রজন্ম যদি এটা অনুসরণ করে, ভবিষ্যৎ অন্ধকার। দলের স্বার্থেই তাই সরে দাঁড়ানো উচিত দেশমের। যাতে তার উত্তরসূরি দলের সম্ভাবনাকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন। প্রতিভাবান তরুণ তুর্কিদের স্বাধীনতা দিলে তারা ব্রাজিলের মতো সুন্দর ফুটবল উপহার দেবে। সেজন্য জিদানের মতো একজন কোচ দরকার।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে ৩২ দলের মধ্যে নবাগত ছিল শুধু আইসল্যান্ড ও পানামা। দু’দলই বিদায় নেয় গ্রুপপর্ব থেকে। বিশ্বকাপ শেষে আবারও একবিন্দুতে মিলে গেল আইসল্যান্ড ও পানামা। একইদিনে পদত্যাগ করলেন দু’দলের কোচ। মঙ্গলবার সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাটা প্রথমে দেন আইসল্যান্ডের ইতিহাস গড়া কোচ হেইমির হলগ্রিমসন। সহকারী ও মূল কোচ হিসেবে গত সাত বছরে তিন লাখ ৩০ হাজার মানুষের ছোট্ট দেশ আইসল্যান্ডকে নতুন এক উচ্চতায় তুলে দিয়েছেন তিনি। দুই বছর আগে নিজেদের অভিষেক ইউরোতেই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে সবাইকে চমকে দিয়েছিল পুঁচকে দেশটি।

এরপর সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট কেটে নতুন ইতিহাস গড়ে আইসল্যান্ড। গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিলেও একেবারে শূন্য হাতে ফেরেনি তারা। প্রথম ম্যাচেই রুখে দিয়েছিল আর্জেন্টিনার মতো পরাশক্তিকে। বিশ্বকাপ শেষে কোচকে থেকে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। কিন্তু ৫১ বছর বয়সী হলগ্রিমসন দলের স্বার্থেই সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন, ‘দল খুব ভালো অবস্থায় আছে। তবে এখান থেকে আরেক ধাপ এগোতে নতুন ভাবনা ও পরিবর্তন দরকার। আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’ কোচিংয়ে আসার আগে দন্ত চিকিৎসক ছিলেন হলগ্রিমসন। পুরনো পেশায় ফিরে যাচ্ছেন তিনি।

ওদিকে পানামার কোচের চাকরি ছেড়ে হার্নান দারিও গোমেজ ফিরছেন পুরনো ঠিকানায়। দ্বিতীয় মেয়াদে ইকুয়েডরের দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি। গোমেজের কোচিংয়েই ২০০২ বিশ্বকাপে খেলেছিল ইকুয়েডর। তার আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে জন্মভূমি কলম্বিয়ার কোচ ছিলেন তিনি। এবার পূরণ করেছেন পানামার বিশ্বকাপ-স্বপ্ন।

নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে ১১ গোল হজম করলেও গোমেজ ছিলেন পানামার জাতীয় হিরো। পানামা ছাড়তে তাই কষ্টই হচ্ছে ৬২ বছর বয়সী কলম্বিয়ান কোচের, ‘নিজেকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কঠিন পথ পাড়ি দিতে যাচ্ছি। অথচ এখানেই আমার হৃদয়টা রেখে যাচ্ছি। পানামাকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি আমি রক্ষা করেছি। আশা করি, পানামার মানুষ তা মনে রাখবে।’




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: